সিলেট ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৭:২১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক :: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজ নিজ এলাকায় সভা সমাবেশ করছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। এরই মধ্যে দেশের সবচেয়ে জনগুরুত্ব আসন হলো সিলেট-৪। এই আসনে রয়েছে একাধিক পর্যটন কেন্দ্র ও পাথর কোয়ারী। তাই এ আসনটি দেশের মানুষের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সিলেট-৪ আসন গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত। আয়তনের দিকেও অনেক বড়। এই আসনে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী থাকলেও বিএনপিতে প্রার্থী একক।
আর তিনি হলেন গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক একাধিকবারের চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আব্দুল হাকিম চৌধুরী।
তিনি বিগত উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে দলের নির্দেশনা মেনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। ইতিপূর্বে উপজেলা নির্বাচনে আব্দুল হাকিম চৌধুরীর সাথে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ঠিকই তবে তার জনপ্রিয়তার কাছে টিকে থাকতে পারেননি কেউই। বর্তমানে সিলেট-৪ আসনের তিন উপজেলাতেই রয়েছে আব্দুল হাকিম চৌধুরীর জনপ্রিয়তা।
২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের টিকিট চেয়েছিলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী। কিন্তু উনার সিনিয়র নেতা দিলদার হোসেন সেলিমও প্রার্থীতা প্রকাশ করেন। পরে তিনি দলের নির্দেশ মেনে দিলদার হোসেন সেলিমের সাথে মাঠে কাজ করেন। এবার সিলেট-৪ আসনে আব্দুল হাকিম চৌধুরী ছাড়া অন্য কোন প্রার্থীকে কল্পনাও করতে পারেনি তৃণমূল বিএনপি।
স্থানীয় বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলাপ কালে তারা জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দল অংশ নিলে সিলেট ৪ আসনে আব্দুল হাকিম চৌধুরী বিজয় নিশ্চত করবো। এছাড়া এই আসনে বর্হিরাগত কোন নেতার স্থান হবে না। দল থেকে আশা করি এমন চিন্তা করবে না।
সম্প্রতি সিলেট বিভাগীয় বিএনপির মহাসমাবেশে আব্দুল হাকিম চৌধুরীর নেতৃত্বে গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর ও কোম্পানীগঞ্জের হাজার হাজার নেতাকর্মী আলিয়ার মাঠে অংশ নেন। যা ছিলো চোখে পড়ার মতো।
তাই আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সিলেট-৪ আসনে বিএনপিতে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম চৌধুরীর বিকল্প নেই বলে তৃণমূল নেতাকর্মীরা মনে করেন।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd