সিলেট ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ১১:৩৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৬, ২০২৩
স্টাফ রিপোর্টার :: সন্তানকে মানুষ করতে একজন পিতা জীবনের আরাম আয়েশ সবকিছু ত্যাগ করতে পারেন। সেই ছোট্র শিশুটি একদিন বড় হয়। সন্তানের জন্য প্রত্যেক বাবা মা জীবনের বেশিরভাগ সময় কষ্ট করে থাকেন। সন্তান মানুষের মতো মানুষ হবে এটি পিতা মাতার স্বপ্ন। সন্তান যখন প্রাপ্ত বয়স্ক হয়, তখন পিতার আরো বেশি দায়িত্ব বেড়ে যায়। একজন বাবা সন্তানের আবদার রক্ষায় অনেক পরিশ্রম করে থাকেন। বাবা চান তার সন্তানটি যেনো অভাব বুঝতে না পারে। তেমনি এক পিতা দক্ষিণ সুরমার রতীন্দ্র পাল।
১ কন্যা ও ১ পুত্র সন্তানের জনক তিনি। স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বসবাস করেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ২৬ নং ওয়ার্ডের জিনজির শাহ মাজার এলাকার পার্শ্ববর্তী স্থানে। কন্যা সন্তান বরাবরই বাবার প্রিয় হয়ে থাকে। রতীন্দ্র পালের কন্যা রিয়া পাল ও ছিলো আদরের।
সিলেট নগরের সোনারপাড়া এলাকায় অবস্থিত মেট্রোসিটি স্কুল এন্ড কলেজের একাদশ শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী রিয়া। বরাবরেই মতোই রিয়া সকালে কলেজের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। দিনটি ছিলো চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারী। ওই দিন কলেজ থেকে ফিরে বাড়িতে আসলেও পরে টিউশনির জন্য বাড়ি থেকে বের হলে আজ অবদি ফিরে আসেনি। পিতা রতীন্দ্র পাল চারিদিকে মেয়েকে খোঁজাখোঁজি করেও না পাওয়াতে বাধ্য হয়ে দক্ষিণ সুরমা থানায় সাধারণ ডায়েরী করতে বাধ্য হন। সাধারণ ডায়েরী নং ৮৯৪।
সাধারণ ডায়েরী করার পর থেকে নিখোঁজ হওয়ার ৯ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত রিয়ার পাওয়া যায়নি খোঁজ। অসহায় পিতা মেয়েকে ফিরে পেতে থানা পুলিশের কাছে বার বার ধর্না দিচ্ছেন। অপরদিকে বিভিন্ন সূত্রে পিতা রতীন্দ্র পাল জানতে পারেন তার মেয়েকে ফুসলিয়ে রিয়ান আহমদ সাগর নামে এক যুবক নিয়ে গেছে। এদিকে রিয়া ও সাগরের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় পুলিশ মোবাইল ট্রাকিং করেও কোনো হদিস পাচ্ছেনা।
রিয়া কি বেচেঁ আছে, নাকি গুম হয়েছে তা ও জানেননা পিতা রতীন্দ্র পাল। নিখোঁজ রিয়ার জন্য পিতা রতীন্দ্র পাল ও মা লাভলী পাল মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। পিতা রতীন্দ্র পাল চান তার মেয়ে যেখানে থাকুক অন্তত সুস্থ ও সুন্দর থাকুন। মেয়ের উপর তার কোনো অভিমান নেই। মেয়েকে ফিরে পেলে তার ভবিষৎ আরো সুন্দর হয় সেই ব্যবস্থা তিনি করবেন। রতীন্দ্র পাল তার কন্যা সন্তান রিয়ার সঠিক অবস্থান জানতে সাধারণ মানুষসহ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd