সিলেট ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৭:০৪ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৩, ২০২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট এসএমপির দক্ষিণ সুরমা থানাধীন কদমতলী-হুমায়ূন রশিদ চত্ত্বর সংলগ্ন আবাসিক হোটেল প্রবাশ। এই হোটেলটি এখন আবাসিক নামের নিরাপদ পতিতালয়। এই হোটেলে প্রতিদিন রাখা হয় অস্যংখ্য সুন্দরী মেয়ে।
দিনরাত চলে বিরামহীন দেহ ব্যবসা ও পাশাপাশি মাদক সেবন। হোটেলের অসামাজিকতা আর মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে এক রকম হিমশিম খাচ্ছে দক্ষিণ সুরমা থানা ও টার্মিনাল ফাঁড়ির পুলিশ বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
স্থানীয়দের মতে, থানার ওসি এবং ফাঁড়ির আইসি সহ সকলেরই জানা রয়েছে এই পতিতালয়ের সকল কার্যকলাপ।কিন্তু কাঁচা টাকার বিনিময়ে নিশ্চুপ রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা বলে সচেতন মহলের অভিযোগ। এর আগে বিগত অভিযান চালানো হয় দক্ষিণ সুরমা প্রসিদ্ধ এই পতিতালয়ে।

বিগত ৭ ডিসেম্বর ২০২১ সালের দক্ষিণ সুরমা পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ এসআই সোহেল রানার নেতৃত্বে একদল পুলিশ দক্ষিণ সুরমার কদমতলীর আবাসিক হোটেল প্রবাশ থেকে অসামাজিক কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকায় তিনজনকে আটক করেন। এরপর ২০২২ সাল থেকে যেনো আবাসিক হোটেল প্রবাশে রীতিমতো প্রশাসনের লাইসেন্স নিয়ে চলছে পতিতালয়ের মতো জগণ্য ব্যবসা।
এসব হোটেলের দরজা খদ্দেরের জন্য ২৪ ঘন্টাই খোলা। কিন্তু ম্যানেজার-মালিক কখনই আটক না হওয়ার ফলে বন্ধ হচ্ছেনা এসব আবাসিক নামের পতিতালয় গুলো। অভিযান হলেও পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে হোটেল ম্যানেজার হাসান পালিয়ে যায়। ম্যানেজার হাসান ও হোটেলের মালিক রাসেল তালুকদার এসব অনৈতিক কর্মকান্ডের মুলহোতা বলে স্থানীয় অনেকে জানান।
স্থানীয়রা আরো জানান, ম্যানেজার হাসান হোটেল রুমে গোপন ক্যামেরা বসিয়ে বিভিন্ন ধরনের আপত্তিকর ভিডিও ও ছবি করে রাখে হাসানের মোবাইলে অনেক ধরণের আপত্তিকর ছবি ও বিভিন্ন ধরণের অসামাজিক কর্মকান্ডের ডকুমেন্ট রয়েছে।
উপস্থিত কয়েকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অনেক দিন ধরে এই হোটেলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কিশোরীদের ধরে এনে অনৈতিক কর্মকান্ড চালোনো হচ্ছে। প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তাদেরকে ম্যানেজ করে ম্যানেজার হাসান ও হোটেল মালিক রাসেল এই সব অনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে।
অন্যদিকে, নারী পতিতালয়ের পাশাপাশি এ হোটেলে সারারাত ধরে চলতে থাকে জুয়ার আসর। এ হোটেলের ম্যানেজারের কাছে রয়েছে একটি কলিং বেল যার মাধ্যমে সে পুলিশের উপস্থিতি টের পাওয়া মাত্রই ম্যানেজার কলিং বেল বাজালেই সকল জুয়াড়ী ছত্রভঙ্গ হয়ে রুমে রুমে চলে যায়। এতে করে জুয়াড়ীরা ধরাছোয়ার বাইরে রয়ে যায়।গোপনে এই হোটেলে অভিযান পরিচালনা করলে জুয়াড়ীদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে বলে স্থানীয়রা জানান।
এ ব্যাপারে টার্মিনাল ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জের সাথে কথা হলে তিনি জানান খুব শীঘ্রই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd