সিলেট ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৯:০৮ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৩, ২০২২
নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটের খাদিম নগর ইউনিয়নে রঙ্গিটিলা গ্রামে প্রেমঘটিত কারণে বিষপানে সুমী বেগম নামে এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। ঘটনা ও মামলার ৬ দিনেও গ্রেফতার হয়নি প্ররোচনা দানকারী প্রেমিক মামুন। গ্রেফতার এড়িয়ে আসামী নিহতের পরিবারকে নানাভাবে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। এতে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন সুমির পরিবার পরিজন। নিহত সুমি বেগম কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পিয়াইনগুল কলিম উল্লাহ উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী এবং এসএমপি’র এয়ারপোর্ট থানার রঙ্গিটিলার মৃত মখন মিয়ার মেয়ে। এ ঘটনায় প্ররোচক প্র্রেমিক মামুন মিয়াকে একমাত্র আসামী করে এয়ারপোর্ট থানায় মামলা হয়েছে। নিহত সুমীর মাম রাহেলা বেগম ঘটনার রাতেই এ মামলা করেন।
জানা গেছে, স্কুলছাত্রী সুমি’র (১৭) সাথে একই থানাধীন ছালিয়া (বাতান) গ্রামের শুকুর মিয়ার ছেলে মামুন মিয়ার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্কের সূত্র ধরে একে অপরের বাড়ীতে ঘন ঘন যাতায়াত করতো। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে মামুন সুমির বাড়িতে গেলে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও তুমুল ঝগড়াঝাটি হয়। পরে মামুন মিয়া তার বাড়ীতে চলে গেলে সুমি বেগম বিষপান করে। স্বজনরা সুমি বেগমকে দ্রুত সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওইদিন সন্ধ্যা ৭ টায় সুমি বেগম মৃত্যু বরণ করে। খবর পেয়ে পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে এবং ময়না তদন্তের পর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।
এঘটনায় সুমি’র মা রাহেলা বেগম বাদী হয়ে ছালিয়া (বাতান) গ্রামের শুকুর মিয়ার ছেলে মামুন মিয়া (২৫) কে একমাত্র আসামী করে এসএমপি সিলেটের এয়ারপোর্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে এয়ারপোর্টে থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোঃ ময়নুল জাকির জানান, সুমি বেগম বিষপানে মৃত্যু বরণ করেছে বলে প্রাথমিক ভাবে প্রতিয়মান হচ্ছে। এ ঘটনায় সুমি’র মা রাহেলা বেগম বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলাটি রুজু করা হয়। ঘটনার পর থেকে আসামী মামুন আত্মগোপনে চলে গেছে। তাকে গ্রেফতারে পুলিশের তল্লাশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd