গোয়াইনঘাটে ক্লিনিক ও স্কুলের সামনে অবৈধ পশুর হাট বসানোর পায়তারা!

প্রকাশিত: ৬:৩৬ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৮, ২০২০

গোয়াইনঘাটে ক্লিনিক ও স্কুলের সামনে অবৈধ পশুর হাট বসানোর পায়তারা!

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি :: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ডৌবাড়ী ইউনিয়নের হাকুর বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সামনে অবৈধ পশুর হাট বসাতে উঠে পড়ে লেগেছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র। এই চক্রটি নিজেদের পকেট বারি করতে স্থানীয় হাকুবাজার কমিনিটি ক্লিনিক, মাদ্রাসা মসজিদ, বাজার এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিদ্যালয় মাঠের পরিবেশ নষ্ট করার পায়তারা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানাবিধ আলোচনা-সমালোচনা শরু হয়েছে। কিন্তু এই চক্রটি প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছে। যার ফলে বাজার বসানোর চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে প্রভাবশালীরা।

ক্লিনিকে আসা রোগী, স্কুল-কলেজ,মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও মসজিদে আসা মুসল্লিসহ এলাকার তরুণদের অভিযোগ, স্কুলের সামনে পশুর হাট বসালে পশুর বর্জ্য, যত্রতত্র আবর্জনা জমা হবে এবং পশুর বর্জ্যে দুর্গন্ধ পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পরিবেশ নষ্ট হবে। এবং এলাকার লোকজনকে ভোগান্তি পোহাতে হবে। শিশুরাও খেলাধুলা করতে পারেনা। ক্লিনিকে আসা রোগীরা সুস্হ হওয়ার পরিবর্তে অসুস্থ হবে বলে অভিযোগগ করেন এলাকার অনেকেই। তাই অবিলম্বে এই পশুর হাট বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

গোয়াইনঘাট সিলেট বাইপাস সড়কে ঘেঁসে হাকুরবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের পাশে হাকুরবাজার কমিনিটি ক্লিনিক। উত্তরে কান্দিগ্রাম জামে মসজিদ। দক্ষিণে হাকুরবাজার ও বাজার মসজিদ এবং হাকুরবাজার কিন্ডারগার্টেন। হাকুর দক্ষিণে ব্রিজ পার হয়ে হাকুরবাজার মাদ্রাসা ও মাদ্রাসা মসজিদ এবং হাকুরবাজার উচ্চ বিদ্যালয়। এরই মধ্যখান হাকুরবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে অবৈধ পশুর হাট বসানোর জন্য মরিয়া হয়ে উটেছে যাত্রাবা মৌজার একটি চক্র।

হাকুরবাজার এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, স্কুল-কলেজ,মাদ্রাসা বা কোন প্রতিষ্ঠানের মাঠে পশুর হাট বসানোর কোনো বৈধতা নেই। তবুও যাত্রাবা মৌজার অসাধু একটি মহল জোর করে পশুর হাট বসানোর চেষ্টা করছে। শিশুদের খেলাধুলার পরিবেশ নষ্ট করছেন।এগুলো উৎখাতের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেছেন তিনি।

হাকুরবাজা উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েক শিক্ষার্থী প্রতিবেদককে জানায়, স্কুলের সামনে পশুর হাট বসানো হলে একদিকে যেমন নষ্ট হবে বিদ্যালয়ের পরিবেশ, অন্যদিকে শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হবে খেলাধুলা ও বিনোদন থেকে। পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনাও বিঘ্নিত হবে। স্থানীয়রাসহ প্রতিনিয়ত পথচারীদের পড়তে হবে বিপাকে। তাই শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এসব সমস্যার সমাধানে সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ওই ছাত্ররা সহ অভিভাবক মহল।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

November 2020
S S M T W T F
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  

সর্বশেষ খবর

………………………..