সিলেট ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৩রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৭:২৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৯, ২০২০
ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান আহমদ নিহতের ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ফাঁড়ির এএসআই (সাময়িক বরখাস্ত) আশেক এলাহীকে ৫ দিনের রিমান্ড ও কনস্টেবল হারুনুর রশীদকে আরো ৩ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৫ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে শুনানী শেষে আদালতের বিচারক সিলেট অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জিয়াদুর রহমান তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুহিদুল ইসলাম। তিনি জানান, আদালতে পুলিশ আশেক এলাহীর ৭ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। অপরদিকে ৫ দিনের রিমান্ড শেষে কনষ্টেবল হারুনুর রশিদকে আদালতে তোলা হলে তিনি কোন জবানবন্দি না দেওয়ায় আরো ৩ দিনের রিমান্ডে দেন আদালত।
দুপুর ৩টার দিকে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে তোলা হয় তাদের।
এর আগে বুধবার রাতে পুলিশ লাইন্স থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহিদুল ইসলাম।
১০ অক্টোবর রাতে সোর্সের তথ্যের ভিত্তিতে এএসআই আশেক আলীর নেতৃত্বেই রায়হান আহমদকে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে আসা হয় বলে জানতে পেরেছে তদন্ত সংশ্লিস্টরা। ফাঁড়িতে আনার পর নির্যাতন চালানো হয় রায়হানের উপর। নির্যাতনে অসুস্থ হয়ে ১১ অক্টোবর ভোরে তিনি মারা যান। গত ২৫ অক্টোবর পুলিশের সেই সোর্স সাইদুর রহমানকেও ৫৪ ধরায় গ্রেপ্তার করে পিবিআই।
এরা আগে এই মামলায় পুলিশ কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস ও হারুনুর রশীদকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেওয়া হয়। ৮ দিনের রিমান্ড শেষে বুধবার টিটুকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১১ অক্টোবর ভোরে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনের শিকার হন রায়হান আহমদ (৩৪) নামের এক যুবক। পরে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে তিনি মারা যান। রায়হান সিলেট নগরীর আখালিয়ার নেহারিপাড়ার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি নগরীর রিকাবিবাজার স্টেডিয়াম মার্কেটে এক চিকিৎসকের চেম্বারে কাজ করতেন।
এই ঘটনায় ১২ অক্টোবর রাতে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হেফাজতে মৃত্যু আইনে সিলেট কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন রায়হানের স্ত্রী।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd