গোয়াইনঘাটে চালক হত্যার রহস্য উদঘাটন, বিশেষ কাজের স্বীকৃতি পেলেন ওসি আব্দুল আহাদ

প্রকাশিত: ৭:১৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৯, ২০২০

গোয়াইনঘাটে চালক হত্যার রহস্য উদঘাটন, বিশেষ কাজের স্বীকৃতি পেলেন ওসি আব্দুল আহাদ

নিজস্ব প্রতিনিধি :: গোয়াইনঘাটে টমটম চালক হত্যার রহস্য উদঘাটন করে বিশেষ কাজের স্বীকৃতি পেলেন গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আহাদ। রোববার দুপুর ১২ ঘটিকার সময় জেলা পুলিশ লাইন্সের শহীদ এসপি শামছুল হক মিলনায়তনে মাসিক কল্যান সভায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম তাকে বিশেষ কাজের ভালো কাজের স্বীকৃতি দেন।

গত ৩০ আগস্ট রাত দশটার পর থেকে গোয়াইনঘাট থানাধীন নিয়াগুল গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে টমটম চালক শাহিন আহমদ (১৪) টমটম চালাতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজি করার পর ৩১ আগস্ট ভোরে গুরুকচি বাজার সংলগ্ন কাটাখাল নামক ব্রিজের নীচে তার লাশ পাওয়া যায়। থানা পুলিশ, ডিবি সহ জেলার একাধিক টিম কাজ শুরু করে। এরকম নৃশংস ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম ঘটনার রহস্য উদঘাটন সহ ঘটনায় জড়িত আসামী গ্রেপ্তারের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।

এ ঘটনায় মৃতের বাবা আবুল কাশেম বাদী হয়ে গত ১ সেপ্টেম্বর গোয়াইনঘাট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আহাদের নেতৃত্বে পুলিশ খুনের ঘটনায় জড়িত মূল হোতা বশরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে ২ সেপ্টেম্বর ‘মূল হোতা’ আবুল বাশার ওরফে আবুল বশরকে গ্রেপ্তার করে এবং হত্যার রহস্য উদঘাটন করেন। তাকে আদালতে হাজির করে তিন দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে আসামী বশর টমটম চালক শাহিন খুনের কথা অকপটে স্বীকার করে।রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে খুনের ঘটনার বর্ণনা দেয়। টমটমের ব্যাটারি চুরি করার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে কিশোর শাহিনকে আসামী বশরসহ তার সহযোগীরা খুন করেছে।

পরে ৬ সেপ্টেম্বর তাকে আদালতে হাজির করলে সে খুনের ঘটনায় জড়িত মর্মে ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।গ্রেপ্তারকৃত আবুল বশর (৩২) উপজেলার গুরুকচি পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত মদরিছ আলীর ছেলে।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

October 2020
S S M T W T F
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  

সর্বশেষ খবর

………………………..