সিলেট ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৩রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৭:৩৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩, ২০২০
ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় তার স্ত্রী ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির পক্ষে উচ্চ আদালতে আপিলের আবেদনের প্রস্তুতি চলছে।
বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ৩০ সেপ্টেম্বর ফাঁসির রায় ঘোষণার পরপরই মিন্নির আপিলের জন্য ওই আদালতেই আবেদন করেন মিন্নির আইনজীবী। কারাগার থেকে ১ অক্টোবর জেল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ওকালতনামায় মিন্নির সই নেয়া হয়।
মিন্নির আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম বলেন, আমরা ওকালতনামায় মিন্নির সই ও সাক্ষর নিয়েছি। আদালত থেকে সই মোহরকৃত মামলার কপি পেলেই উচ্চ আদালতে যাবো। এজন্য আইনজীবীও নিয়োগ করা হয়েছে।
অন্যদিকে মিন্নিসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামির ডেথ রেফারেন্স নথি হাইকোর্টে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদলত থেকে রোববার এ নথি হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পাঠানোর কথা রয়েছে।
আইন বিশেষজ্ঞরা জানান, ফৌজদারি মামলায় বিচারিক আদালত যখন আসামিদের মৃত্যুদণ্ড দেন; তখন ওই দণ্ড কার্যকরের জন্য হাইকোর্টের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। এজন্য সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী মামলার সকল প্রকার নথি হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেয়। যা ডেথ রেফারেন্স নামে পরিচিত। ওই নথি আসার পর হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখা পরিক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সংশ্লিষ্ট মামলার পেপার বুক তৈরি করে। পেপারবুক তৈরি হলে মামলাটি শুনানির জন্য প্রস্তুত হয়েছে বলে ধরে নেয়া হয়।
এদিকে মিন্নির বাবা মোজম্মেল হক কিশোর অভিযোগ করে বলেন, আমরা জরুরি ভিত্তিতে আদালতের কাছে সইমোহরকৃত মামলার কপি চেয়েছি। কিন্তু তারা ইচ্ছে করেই কালক্ষেপণ করছেন।
উলেখ্য, ২০১৯ সালের ২৬ জুন রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে ওই ঘটনায় রিফাত শরীফের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফের দায়ের করা মামলায় প্রধান সাক্ষী মিন্নিকে আসামি করা হলে মামলা নতুন দিকে মোড় নেয়। গত বুধবার বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের দেয়া রায়ে মিন্নি, রিফাত ফরাজী, আল কইয়ুম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, মো. রেজোয়ানুল আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয় ও মো. হাসানকে মৃত্যুদণ্ড ও প্রত্যেক আসামিকে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে জরিমানার নির্দেশ দেন।
প্রাপ্তবয়স্ক বাকি চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়। ওই রায় দেয়ার চার কার্যদিবসের মধ্যে দণ্ডিত আসামিদের উচ্চ আদালতে আপিল করার জন্য রায়ে উল্লেখ করা হয়।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd