সিলেট ২রা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৫ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৭:০২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৩, ২০২০
ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : দুই মেয়ে আর স্বামীকে নিয়ে সুখেই কাটছিল ইয়াসমিন বেগমের সাজানো সংসার। প্রতিদিনের মতো গতকাল সকালেও সংসারের যাবতীয় কাজ শেষে স্বামী হুমায়ূন কবির ভূঁইয়ার সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু কর্মস্থলে আর যাওয়া হয়নি ইয়াসমিনের। পথেই নিভে গেল জীবনপ্রদীপ। দুই মেয়েকে ফেলে স্বামী-স্ত্রী দুজনই পাড়ি জমালেন পরপারে।
বৃহস্পতিবার সকালে মানিকগঞ্জ সদরের মুলজান এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে গোল্ডেন লাইন পরিবহনের একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন হুমায়ূন কবির। গুরুতর আহত অবস্থায় মানিকগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে মৃত্যু হয় ইয়াসমিনের।
নিহত হুমায়ূন কবির ভূঁইয়া মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গড়পাড়া ইউপির চরগড়পাড়ার বাসিন্দা। তিনি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে চাকরি করতেন। ইয়াসমিন বেগম সাভারের নবীনগরের পলাশবাড়ী এলাকার বাসিন্দা। তিনি মুলজান পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের বিলিং সেক্টরে কর্মরত ছিলেন।
এ দম্পতির বড় মেয়ে শোভা নবম শ্রেণির ছাত্রী। আর ছোট মেয়ে ইভা পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। গড়পাড়া মাঠে মা-বাবার জানাজার আগে তাদের শেষবার দেখতে গিয়েছিল তারা। শোভা শুধু ‘ও বাবা, ও মা’ বলে আর্তনাদ করছিল। চোখে-মুখে শূন্য দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে ছিল ইভা। তাদের কান্না আর আর্তনাদে স্তম্ভিত হয়ে পড়েছিল চারপাশ।
বৃহস্পতিবার বিকেলে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয় হুমায়ূন-ইয়াসমিন দম্পতিকে। দাফন শেষে সবাই চলে গেলেও মা-বাবার কবরের দিকে শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল শোভা-ইভা।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd