সিলেট ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৪:০৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ২০, ২০২০
সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশা :: করোনার ছোবলে আর বন্যার কবলে পড়ে আম্বরখানা ৭০৭ এর অন্তর্ভুক্ত, সালুটিকর গোয়াইনঘাট রাস্তার আলম নামে একজন সিএনজি ড্রাইভার কিস্তিতে কেনা তার সিএনজি বিক্রি করতে চলেছেন। তিনি বলেন দীর্ঘ চার মাস করোনা ছোবলে, বন্যার কবলে পড়ে ৬০ হাজার টাকা কিস্তি জমা হয়েছে। শোরুম থেকে বারবার কিস্তির তাগিদ দিচ্ছে।এখন বাধ্য হয়ে গাড়ী বিক্রি করছি।
রুস্তমপুর ইউনিয়নের এক একজন ট্রাক ড্রাইবার বলেন প্রধান সড়কের কোন কোন জায়গায় উপরে দুই ফুট পানি তবুও মালিকদের গাড়ির কিস্তির চাপের কারণে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। দুইহাজার বিশ সাল পৃথিবীর মানুষের জন্যে নানা কারনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এ বছরের শুরু থেকেই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু। ধীরে ধীরে এই ভাইরাসের প্রাদূর্ভাব পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। গত মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশে হানা দেয় করোনা ভাইরাস। সারাদেশে শুরু হয় এক অজানা আতঙ্ক। সরকার পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা লকডাউন ঘোষণা করে।
সারাবিশ্ব ও দেশের ন্যায় সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার মানুষ জনেরাও কর্মক্ষেত্রে অনুপস্থিত থাকা আর বার বার বন্যার পুনরাবৃত্তিতে চরম দুর্ভোগে পড়েন। সেই সব দূর্যোগকালীন সময়ে মানুষের পাশে সরকারি সহায়তা নিয়ে পৌছান প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা। তাদের পাশাপাশি গোয়াইনঘাট উপজেলার নন্দীরগাওঁ, তোয়াকুল, রুস্তুমপুর, লেঙ্গুড়া, পশ্চিম জাফলং, পূর্ব আলীরগাওঁ, পশ্চিম আলীরগাওঁ, ডৌবাড়ী, পুর্ব জাফলং ও ফতেহপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যানরাও সাধ্যমত মানুষের পাশে আছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিম্নমধ্যবিত্ত আয়ের একজন ভদ্রলোক চতুর্থবারের ফের বন্যা দেখে বলেন, চেয়ারম্যান মেম্বারদের কাছে আর কত ত্রাণ খুজবো।নিজের কাছে লজ্জা লাগের।বুকে চাপা কষ্ট আর নাক দিয়ে লম্বা একটা দীর্ঘশ্বাষ ফেলেন।বেকারত্বের কবলে পড়ে, উনার মত অনেকেই আছেন মহাসঙ্কটে।যাদেরক কখনো ত্রাণ পাওয়ার অপেক্ষায় থাকতে দেখি নি তারা এখন ত্রাণ নির্ভরশীল।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd