সাথী আরো জানান যে এই ঘটনার কিছুদিন পূর্বে সে হিরো আলমকে অনলাইনে লুডু খেলার আমন্ত্রন জানান; হিরো আলম খেলার পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চাইলে; সাথী বলেন “আমি আপনাকে ইনভাইট করবো আপনি শুধু প্লেতে চাপ দিবেন কিন্তু হিরো আলম এর প্রত্যুত্তরে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেন।
ভিডিও স্টেটমেন্টে সাথী আকতার হিরো আলমকে সতর্ক করেন যে সে আলমের সম্পর্কে আরো বড় তথ্য সংগ্রহ করে ফাঁস করতে পারেন হিরো আলমেরই ২য় স্ত্রী নুসরাত জাহান ঝিমুর মাধ্যমে। সাথী তার ও ঝিমুর কথোপকথনের একটি রেকর্ড প্রকাশ করেন।
তাকে সেক্স করার অফার করায়; সে হিরো আলমকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন এবং তাকে ব্লোক করেন।উক্ত ঘটনার জন্য হিরো আলম তাকে হুমকি দিতে পারেন, এই ভয়ে সাথী হাতিরঝিল থানায়(২৭ জুন) সাধারণ ডায়েরি তথা জিডি করেন।জিডি নম্বর ১১৭২।
কিন্তু হিরো আলমের থেকে বিষয়টি জানতে চাইলে; তিনি জানান যে তার সাথে একটা গেম খেলা হচ্ছে এবং সম্পূর্ণ বিষয়টাই সাজানো। তার ২য় স্ত্রী ঝিমুর ফোন রেকর্ডটি প্রায় বছর খানেক পূর্বের এবং সাথী যে ফেইজবুক আইডির কথা বলছে সেটি তার নয়। তিনি আরো জানান শুটিং শেষে ঢাকায় এসে আইনের ব্যবস্থা নিবেন এবং বিষয়টির সত্যতা প্রমাণিত হলে তিনি যে কোনো শাস্তি মেনে নিবেন। তিনি আরো বলেন, আমার জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্নিত হয়ে আকাশ নিবির ও সাথী আকতার দুজনে মিলে আমার উপর যে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে, কেন চালাচ্ছে এবং কাদের ইশারায় চালাচ্ছে সব কিছু একদিন ফাস হবে ইনশাআল্লাহ। এবং লক্ষকোটি ভক্তের দোয়া আমার সাথে আছে।
ভিডিও স্টেটমেন্টে শারমিন আক্তার ঝিমু নিজেকে একজন সেবিকা(নার্স) বলেও উল্লেখ করলেও এ বিষয়ে কোনো প্রকার সত্যতা খুজে পায়নি।
শারমিন আক্তার ঝিমুর সাধারণ ডায়েরির সত্যতা সম্পর্কে সন্দিহান। কারণ সাথী তার ভিডিও স্টেটমেন্টে যে কারণ উল্লেখ করেন, সেটা তার অনলাইনে প্রকাশিত হওয়া জিডি পত্রের সম্পূর্ণ বিপরীত। সে ভিডিও স্টেটমেন্টে বলেন যে তাকে হুমকি দেওয়া হতে পারে এই ভয়ে, এই ভয়ে সে জিডি করেন কিন্তু সে তার জিডি পত্রে উল্লেখ করেন যে দুটি মোবাইল নাম্বার(রবি ও জিপি) থেকে বিভিন্নভাবে তাকে প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য গতকাল ২৮শে জুন সন্ধার পরে হিরো আলম হাতিরঝিল থানায় পাল্টা জিডি করেন উপরে উল্লেখিত জনৈক আকাশ নিবির ও সাথী আকতারের বিরিদ্ধে।




