সিলেট ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৭ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৮:৪৪ অপরাহ্ণ, জুন ৯, ২০২০
স্টাফ রিপোর্টার :: সিলেট শহিদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের সেবার জন্য প্রস্তুত করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ, ইলিয়াছুর রহমান ইলিয়াছ,সর্বশেষ সাবেক মেয়র বদরউদ্দিন আহমদ কামরানসহ অনেক কে এখানে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এরই প্রেক্ষিতে মেডিকেলে আসা প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার জন্য হাসপাতালের অভ্যন্তরে তৈরী করা হয় জীবানুনাশক ট্রানেল।এই ট্রানেলের ভিতর দিয়ে জনসাধারনকে জীবানুনাশক স্প্রে করে প্রবেশ করানো হয়।কিন্তু সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমেদ হাসপাতালের কতৃপক্ষ ও কর্তব্যরতদের দায়িত্ব ও অবহেলার কারনে জীবানুনাশক ট্রানেলের ভিতরে কুকুর ঘুমাচ্ছে আর সাধারণ মানুষেরা ট্রানেলের পাশ দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করছে।
হাসপাতালে করোনার চিকিৎসা নিতে আসা কয়েকজন রোগী ক্রাইম সিলেটকে বলেন, একটি সরকারী হাসপাতালের এমন দৃশ্য সত্যিই দুঃখজনক। জীবানুনাশক টানেলের পাশ দিয়ে “কোভিড-১৯” পরীক্ষা করতে আসা রোগীরা পাশে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। অথচ এই কুকুর গুলোকে তাড়ানোর মত লোকবলের অভাব না কর্তব্যের গাফিলতির কারনে এমন দৃশ্য। এরকম প্রশ্ন সৃষ্টি হচ্ছে সাধারণ মানুষের ও সচেতন মহলের।
শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত বৃহত্তর সিলেটের প্রথম আইসোলেশন সেন্টারের যদি এই দশা হয় তাহলে বাদ বাকিগুলোর যে কি অবস্থা তা এই হাসপাতালই তার দৃষ্টান্ত।এব্যাপারে সিলেটবাসী সহ সচেতন মহল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ জীবানুমুক্তকরণ এ টানেলের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা অতীব গুরুত্বপূর্ণ ও সময়ের দাবী।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd