সিলেট ২৭শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৯ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৯:৫৭ অপরাহ্ণ, জুন ৬, ২০২০
ক্রাইম সিলেট ডেস্ক :: গোলাপগঞ্জে নদীর পানি থেকে উদ্ধার কৃত মুরাদমিয়ার মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের জন্য তার সৎ ভাই সিলেটের পুলিশ সুপারের কাছে সুনিদ্রিষ্ট আবেদন করেছেন। গত ৩১মে সিলেট দক্ষিন সুরমার মোল্লারগাঁও ইউনিয়নের খালপার গ্রামের মৃত উসমান আলীর ছেলে ফরহাদ মিয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আবেদনটি দাখিল করেছেন।
উক্ত আবেদনটি দাখিলের প্রক্রিয়া নিয়ে মোবাইল ফোনে কথা বলার সময় ফরহাদ মিয়ার আত্বীয় অন লাইন নিউজ পোর্টাল সিলেট প্রেস,এর সম্পাদক ফয়ছল খানের কাছে জেলা পুলিশের, দায়ীত্বশীল এক কর্মকর্তা কথা প্রমঙ্গে নিহত মুরাদ মিয়াকে’পাগল’আখ্যায়ীত করেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।
জেলা পুলিশের দায়িত্বশীল সেই কর্মকর্তা সাংবাদিক ফয়ছল খানকে আরো বলেছেন, নিহত মুরাদের মৃতদেহের ময়না তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার উপর নির্ভর করছে তদন্তের বিষয়টি। এ ক্ষেত্রে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, জেলা পুলিশের সেই কর্মকর্তা কিভাবে নিশ্চিত হলেন নিহত মুরাদ ‘পাগল’ ছিলো। ময়না তদন্ত রিপোর্ট পাবার আগে তদন্ত করা যাচ্চেনা , অথচ কোনো প্রকার মানষিক ডাক্তারের পরীক্ষামুলক রিপোর্টের মন্তব্য জাতীয় কাগজাত প্রমানের অস্থিত্ব ব্যতিরেকে নিহত মুরাদকে ‘পাগল’হিসেবে আখ্যায়ীত করার বিষয়টি রহস্যজনক হিসেবে প্রতিয়মান হচ্চে মুরাদের সৎ ভাই ফরহাদ মিয়ার কাছে।
পুলিশ সুপারের কাছে দেয়া আবেদনের এক স্থানে ফরহাদ মিয়া উল্লেখ করেছেন, গোলাপগঞ্জ থানার ওসি,র আচরন তার কাছে সন্দেহ জনক এবং তার সৎ মা সালমা বেগমের আচার -আচরন অত্যন্ত রহস্য জনক। নিহত মুরাদের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের জন্য পুলিশের অন্য যে কোনো ইউনিটের মাধ্যমে তদন্ত করানোর ব্যাপারেও আবেদনে উল্লেখ রয়েছে। গত ৩০ মার্চ গোলাপঞ্জের ফুলবাড়ি ইউনিয়নের হাজীপুর সুকনা এলাকাস্থ সুরমা নদীর পানিতে ভাসমান অবস্থায় মুরাদের মৃত দেহ উদ্ধার করেছিলো গোলাপঞ্জ থানার পুলিশ। এ সময় মৃত দেহের পায়ে শিকল দিয়ে বাধাঁ ছিলো। এর আগে সেই এলাকার রণকেলী গ্রামের এক বাড়িতে মুরাদ কে নিয়ে শিকল দিয়ে বেধে রাখা হয়েছিলো বলে তার সৎ ভাই ফরহাদ মিয়া জানিয়েছিলেন।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd