সিলেট ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৩:৪২ অপরাহ্ণ, মে ২৭, ২০২০
ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : দীর্ঘদিন যাবত মাদক ব্যবসায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ থানাধীন ছত্রিশ গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা মিনার আলীর ছেলে সালেহ আহমদ। এলাকাবাসী জানান সালেহ আহমদ তার র্গভধারিনী মা জয়বুন নেছাকে অনকে সময় মারধর করতো, এসব দেখে এলাকাবাসী তাকে এলাকা থেকে বের করে দেয় ২০১৪ সালে। সে মা-বাবা দুজনকে শারিরীক ও মানসিক ভাবে নির্যাতন করতো। এরপর সিলেটের সাদিপুর এলাকায় বাসাভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করে সালেহ। সাদিপুর থেকে তার মাদক ব্যবসার কারনে এলাকাবাসী তাকে পুলিশ দিয়ে মাদকসহ ধরিয়ে দেয়। তারপর সে আবার সাদিপুর থেকে বাসা ছেড়ে সিলেট জেলার কোতয়ালী থানাধীন সোবহানীঘাট এলাকার জতরপুরে বাসা নিয়ে তার নেতৃত্বে¡ গড়ে তুলেছে সিলেটে একটি মাদক সিন্ডিকেট।
মাদকের ব্যবসা চালিয়ে রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছেন এই সালেহ আহমদ। ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা খরছ করে সিলেটের মোগলাবাজার থানাধীন এলাকায় নির্মান করেছেন বিলাশবহুল একটি বাড়ী। অথচ সে ২০১৫ সালে লিটন মিয়ার মুদি দোকানে মাত্র ৬ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করতো বর্তমানে তার নিজেস্ব^ প্রাইভটে গাড়ী রয়েেছ ৪টি এবং নামে বেনামে অবধৈ সম্পত্তির গড়ে তুলেছে বিশাল পাহাড়। তার সাথে সিলেটের বেশ কয়কেজন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী সম্পৃক্ত রয়েছেন যারা তার কাছ থেকে মাসুরা টাকা খেয়ে তাকে আন্ডার গ্রাউন্ডে সেল্টার দিয়ে আসছে।
আবার কিছু আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর র্কমর্কতারাও তার কাছ থেকে মাসুরা টাকা নিচ্ছে আর তাকে সেল্টার দিয়ে আসছে। এছাড়াও তার সঙ্গে সব সময় ১০ থেকে ১২ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাহিনী সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় অবধৈ ভাবে চাদাঁ আদায়ের জন্য হামলা ও করনে। গতকাল ২৬মে ২০২০ইং ফেঞ্চুগঞ্জ থেকে ৩কেজী গাজা সহ সালেহ ও তার সহযোগী আয়াজ আলী সিলেটে বিক্রয়ের উদ্দেশে নিয়ে আসিলে পারাইরচক এলাকায় মোগলাবাজার থানা পুলিশ ডিউটি করা কালীন চেক পোস্ট বসালে চেকপোস্ট দেখে সালেহ আয়াজ আলী কে ৩ কেজি গাজার একটি বস্তা তার হাতে দিয়ে তাৎক্ষনিক ভাবে দৌড়াতে বলে, সালেহ প্রাইেভটে কারটি বেপরোয়া ভাবে চালিয়ে পালিয়ে যায়।
পুলিশ দৌড়িয়ে আয়াজ আলী কে গ্রেফতার করিলে আয়াজ আলী সর্ম্পূণ নাম ঠিকানা সালেহর বলে এবং প্রাইভেট কারের নাম্বার পুলিশ কে দেয় মোগলাবাজার থানা পুলিশ আয়াজ আলী কে ১ নম্বার আসামী এবং সালহে কে ২ নম্বার আসামী করে ২৬মে ২০২০ইং তারিখে এস আই পলাশ কানু বাদী হয়ে মোগলাবাজার থানায় একটি মাদক মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ১৭ জিআর নং- ৭৩ ,মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ১৯ এর (ক) ধারায়।
নিম্নে মামলা নং হলো, সিলেট জালালাবাদ থানার মামলা নং-১৮/৫৭, তারিখ- ১৮/০৩/২০১৯ ধারা- ১৪৩/১৪৭/১৪৮/১৪৯/১৮৬/৩৩২/ ৩৩৩/৩৩৫/৪২৭/১০৯/১১৪ পেনাল কোড তৎসহ ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ৩/৪/৫। সিলেট জালালাবাদ থানার মামলা নং-১১/১৭১, তারিখ- ০৬/০৯/২০১৮ ধারা- ১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) এর ৩(ক), সিলেট শাহ্পরাণ (রঃ) থানার মামলা নং-২/৬২, তারিখ- ০৬/০৫/২০১৯ ধারা- ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন ২৫-ইং, সিলেট কোতয়ালী মডলে থানার মামলা নং-১৮/৩৫৩, তারিখ- ১৪/১১/২০১৬ ধারা- ২০০২ সংশোধনী ২০০৯ আইন-শৃঙ্খলা বিঘনকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনরে, ডিএনপির শামপুর থানার মামলা নং-১৩/৫০, তারিখ- ১৪/০২/২০১৯ ধারা ৪২০/৪০৬/৫০৬ পেনাল কোড। সিলেট কোতয়ালী মডলে থানার মামলা নং-৮৪, তরিখ- ২৪/০৬/২০০৮ ধারা- ৩৮৫ পেনাল কোড। সিলেট কতোয়ালী মডলে থানার মামলা নং-৮৫, তারিখ- ২৪/০৬/২০০৮ ধারা- ১৯২৭ সংশোধনী ২০০০ সালের বন্য আইন এর ৪২। সিলেট কতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং- ৩১/৫৪৮, তারিখ- ১৬/১০/২০১৯ ধারা- ২৫-ই ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন| সিলেট মোগলাবাজার থানার মামলা নং-১৭/৭৩, তারিখ ২৬/০৫/২০২০ ধারা- ১৯ (ক) এছাড়াও তার বরিুদ্ধে আরো অনকে মামলা ও জিডি রয়েেছ।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd