স্টাফ রিপোর্টার :: সিলেটের কানাইঘাট থানা পুলিশের এক এস আই ও দুই সোর্স এর বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ সুপার বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন কানাইঘাটের ১নং লক্ষীপ্রসাদ ইউনিয়নের দনাপাতি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মতিন।
বর্তমান করোনা মোকাবেলায় পুলিশ দিনরাত মানুষের পাশে ঝুকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। করোনার শুরু থেকে সিলেট জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিনের নির্দেশে প্রতিটি থানা অফিসারগণ জীবনের ঝুকি নিয়ে মাঠে কাজ করছেন। কিন্তু কানাইঘাট থানার এস আই শফিকুর রাহমান তার দুই সোর্স নিয়ে গৃহবন্ধি মানুষকে হয়রানি করার পাশাপাশি মামলার ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায় করছেন।
গত ১৮ মে সিলেট জেলা পুলিশ সুপার বরাবর কানাইঘাট থানার এসআই এস আই শফিকুর রাহমান ও তার দুই সোর্স কানাইঘাট থানাধীন উজান বারাপৈত গ্রামের আজিজুর রাহমান(খাজু) এর ছেলে ইবজাল (৩২), এবং একই গ্রামের আব্দুল মুতলিবের ছেলে ফিরুজ (৩০) এর বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আব্দুল মতিন।
১নং লক্ষীপ্রসাদ ইউনিয়নের দনাপাতি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মতিন অভিযোগে উল্লেখ করেন, ইবজাল ও ফিরুজ কানাইঘাট থানার সোর্স এবং থানা পুলিশের এস,আই শফিকুর রাহমান। তারা আরো ৩/৪ জন দীর্ঘ দিন থেকে কানাইঘাট থানা পুলিশের নামে চাঁদাবাজির পাশাপাশি এলাকায় ছিনতাই ও অসামাজিক কার্যকলাপ করিয়া আসছে। গত ১২ মে দুপুর অনুমান ১২:০০ ঘটিকার সময় থানার এস, আই শফিকুর রাহমান সহ সোর্সরা মতিনের বাড়িতে যায় এবং মতিনকে বলে ওয়ার্ড মেম্বার ও বাজারের সভাপতি তাহার বিরুদ্ধে মামলা করিয়াছেন বলে তদন্ত করিবার জন্য আসিয়াছেন। মতিনের ঘরে অনাধিকার প্রবেশ করিয়া ঘরের টেবিল ডয়ার সকেস খুলিয়া বিভিন্ন আসবাবপত্র তছ-নছ করেন। এসময় সোর্সরা পবিত্র রমজান মাসে দিনের বেলায় পাক ঘরে ডুকিয়া পানি পাণ করে এবং তাহার মেয়েদের খাবার দিতে বলে। তখন মতিনের মেয়েরা খাবার দিতে না চাইলে তারা ওই মেয়েদের সাথে অশালীন আচরন করেন। অভিযুক্ত ইবজাল বলেন যে কানাইঘাট থানা পুলিশ কে ১০.০০০ টাকা দেওয়ার জন্য অন্যতায় মামলা থেকে রেহাই পাবোনা৷ তখন মতিন নিরুপায় হইয়া ইবজালের হাতে নগদ ৩০০০ টাকা দেন। পরে ইবজাল মতিনের মেয়ের হাত থেকে ২০ হাজার টাকা মৃল্যের একটি টার্চ মোবাইল নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে বিষয়টি মতিন এলাকার গন্যমান্য মুরব্বিদের অবগত করেন এবং ওয়ার্ড মেম্বার ও বাজারের সভাপতিকে মামলার ব্যাপারে জিজ্ঞাস করলে তাহারা বলেন মতিনের বিরুদ্ধে কোন মামলা করেন নাই। মতিনকে মিথ্যা মর্মে আমাকে লিখিত দেন এবং তিনি লিখিত কাগজ নিয়ে কানাইঘাট থানায় গিয়ে জানতে পারেন তার বিরুদ্ধে কোন মামলা হয় নাই।
কানাইঘাট থানার এসআই এস আই শফিকুর রাহমান ও তার দুই সোর্স ইবজাল এবং ফিরুজ এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পুলিশ সুপারের নিকট আশু হস্থক্ষেপ কামনা করছেন আব্দুল মতিন।