সিলেট ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ১:১২ পূর্বাহ্ণ, মে ১৩, ২০২০
গোয়াইনঘাট সংবাদদাতা :: গোয়াইনঘাটে জমিয়তের পক্ষ থেকে অসহায়দের মাঝে সাহায্যের নামে প্রতিনিয়ত মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন গোয়াইনঘাট উপজেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক গোলাম আম্বিয়া কয়েছ। একেকদিন একেকজনের ছবি ব্যবহার করে সীমান্তের আহবান নামক একটি নিউজ পোর্টালে অসহায়দের সহায়তার নামে নিউজ করা হয়। অথচ এই সহায়তা কেবল নিউজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। গরীব অসহায়রা কোন প্রকার সহায়তা পাননি।
গত ৭ মে গোয়াইনঘাট জমিয়তের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস ও যুব জমিয়তের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মামুনুর রশীদ এর নাম ও ছবি ব্যবহার করে সীমান্তের আহবান নামক পোর্টালে লেখা হয়।
গোয়াইনঘাট উপজেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক ও গোয়াইনঘাট উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জননেতা মাওলানা গোলাম আম্বিয়া কয়েছ করোনা সংক্রমণের ফলে কর্মহীন হয়ে পড়া উপজেলার অসহায়দের নীরবে তাদের বাড়িতে প্রয়োজনীয় নগদ অর্থ ও মানবিক সহায়তা হিসেবে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন। গোয়াইনঘাট উপজেলা যুব জমিয়তের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান গোয়াইনঘাট উপজেলা জমিয়তের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস এবং গোয়াইনঘাট উপজেলা যুব জমিয়তের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মামুনুর রশীদের মাধ্যমে এ সহায়তা প্রদান করেন। যাদের নাম ও ছবি উল্লেখ করে সহায়তা প্রদানের নিউজ করেন তাদের কেউই এবিষয়ে কোনকিছু জানেন না।
এর ক’দিন আগে একই ভাবে গোয়াইনঘাট জমিয়তের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা নূরুল ইসলাম বৌলগ্রামী ও জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওলানা ফরিদ উদ্দিন কয়েস’র নাম ও ছবি ব্যবহার করে সীমান্তের আহবানে ত্রাণ বিতরণের নামে মিথ্যা নিউজ করা হয়।
এবিষয়ে মাওলানা নূরুল ইসলাম বৌলগ্রামী বলেন, গোয়াইনঘাট জমিয়তকে কিছু ফালতু খেল তামাশার বস্তু বানিয়ে দিয়েছে। শুনেছি আমার নাম ব্যবহার করেও নাকি ইদানীং ত্রাণ বিতরণের নিউজ দেওয়া হয়েছে। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এমন মিথ্যা যারা রটিয়েছে তারা কখনও আকাবিরদের রেখে যাওয়া আমানত জমিয়তের কর্মী হতে পারেনা। শুনেছি এই নিউজ গোয়াইনঘাট জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা গোলাম আম্বিয়া কয়েছ করেছেন। তার এমন ফালতু কাজের জন্য জমিয়ত আজ প্রশ্নের সম্মুখীন।
মাওলানা ফরিদ উদ্দিন কয়েস তার অফিসিয়াল ফেসবুক একাউন্টে লেখেন আমি ফরিদ উদ্দিন কয়েস ১৭মার্চ থেকে এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সরকারি যাবতীয় আইন কানুন মেনে Stay Home এ অতিবাহিত করছি।
এসময়ে সামাজিক রাজনৈতিক কোন কর্মকান্ডে ছিলাম না বা নই। অদ্য ফেসবুকে দেখি আমি নাকি জমিয়তের নামে ত্রাণ বিতরণ করছি। অবাক হয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আমার নামে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার করে আমার উপর মিথ্যা আজগুবি অপবাদ লেপনের হেতু কি? দলীয় স্বার্থ? আমার স্বার্থ? না অন্য কিছু? বুঝতে বেশ কষ্ট হচ্ছে।
মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস জানান আমি এই দুঃসময়ে অসহায়দের মাঝে আমার ব্যক্তিগত ভাবে সাহায্য সহায়তা করে যাচ্ছি। আমাকে উপজেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক গোলাম আম্বিয়া কয়েছ কোন প্রকার নগদ অর্থ কিংবা সহায়তা হিসেবে খাদ্য সামগ্রী দেননি। তিনি অযথা আমার ছবি ব্যবহার করে মিথ্যাচার করেছেন। আমার ব্যক্তিগত সহায়তাকে তার দেওয়া অনুদান বানানোর জন্য তিনি এমন কুরুচিপূর্ণ ভাবে তার মনগড়া মিথ্যা একটি নিউজ করেছেন। আমি তার এমন আচরণের তীব্র নিন্দা জানাই।
মাওলানা মামুনুর রশীদ বলেন গোয়াইনঘাট জমিয়তের পক্ষ থেকে আমার নিকট কোন ত্রাণ সামগ্রী পৌছেনি। আমার এলাকার কয়েকজন আমাকে কল দিয়ে বলেন আপনার নিকট গোয়াইনঘাট জমিয়তের পক্ষ থেকে ত্রাণ সামগ্রী এসেছে। আপনি এসব বিতরণের কোন ব্যবস্থা নেননি কেন। আমি শুনে চমকে উঠলাম। তাদের কাছে বিস্তারিত জানতে চাইলে তারা বলেন উপজেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক গোলাম আম্বিয়া কয়েছ সীমান্তের আহবানের একটি নিউজ ফেসবুকে শেয়ার করেছেন। এখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস ও মাওলানা মামুনুর রশীদের মাধ্যমে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী অসহায়দের কাছে প্রদান করা হয়েছে। আমি বিষয়টি শুনা মাত্রই মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস সাহেবকে কল দেই। তিনিও এবিষয়ে কোন কিছু জানেন না বলে জানান। পরবর্তীতে জানতে পারি প্রতিদিন এভাবে দু’একজনের ছবি দিয়ে গোলাম আম্বিয়া কয়েছের মুখপত্র সীমান্তের আহবানে এধরণের নিউজ করা হয়। এটার কোন বাস্তবতা বলতে কিছু নেই। কয়েছের এমন অসৎ কর্মকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd