সিলেট ২৭শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৯ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ১১:৩৬ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৪, ২০২০
স্টাফ রিপোর্টার : করোনা ভাইরাসের মহা বিপর্যয়ের সময়েও বন্ধ হয়নি দক্ষিণ সুরমার চোলাই মদের ব্যবসা। চোলাই মদের পুরনো ডিলার বাহার বর্তমানে রয়েছে সিলেট জেল হাজতে।
তার অবর্তমানে চোলাই মদের ডিলারগিরী চালিয়ে যাচ্ছে পুরনো মাদক ব্যবসায়ী লাকসামের কালা চান্দ ও মৌলভীবাজারের জমশের। এদের সাথে নতুন করে চোলাই মদের ব্যবসায় নেমেছে ব্রাক্ষনবাড়ীয়ার নবী নগর থানার সাহেব নগর গ্রামের আইয়ুব ও ডিবির সোর্স হিসেবে পরিচিত খিচুড়ীর দোকানদার আবুল। তার বাড়ি হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ এলাকায়।
জানা গেছে, উক্ত মাদক ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন রাজনগর ও ফেঞ্চুগঞ্জ এলাকা থেকে সিএনজি অটো রিক্সা এবং পিকআপ ভ্যানে করে চোলাই মদ এনে দক্ষিণ সুরমার ক্বিন ব্রিজ ও ভার্থখলা এলাকায় বিশেষ করে সুইপার কলোনীগুলোতে পাইকারি ও খুচরা মদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান করোনা বিপর্যয়ের সময়েও মাদকসেবীদের জমজমাট আড্ডা চলছে পুরো এলাকার স্পটগুলোতে।
এছাড়া ক্বিন ব্রিজের নিচে আকতারের কলোনীতে একটি জুয়ার আসর চলছে জমজমাট ভাবে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সুইপার কলোনীর কোন বাসিন্দারা সেখানে মদ পান করে না। বহিরাগত মুসলমান মাদকসেবীরাই চোলাই মদের কাষ্টমার।
গতকালও সুইপার কলোনীসহ এর আশপাশ এলাকাঘুরে দেখা গেছে, অনেক ঘরেই চলছে চোলাই মদের আসর এবং মদপানকারীদের অধিকাংশই মুসলমান। সিলেট জেল হাজতে থাকা মাদক ব্যবসায়ী বাহারের বাড়ি চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি থানার আহমদ নগর গ্রামে।
এখানকার সকল মাদক ব্যবসায়ী সিলেটে বহিরাগত। বাহারের প্রধান শেল্টারদাতা ছিলেন থানার বড়কর্তা নিজেই। গোয়েন্দা পুলিশের দায়েরকৃত ৪শ লিটার চোলাই মদের এজাহার নামীয় পলাতক আসামী অবস্থায়ও সে থানায় যাতায়াত করতো।
বর্তমান সময়েও মাদক ব্যবসা ও জুয়ার আসর সম্পর্কে বক্তব্য নেওয়ার জন্য দক্ষিণ সুরমা পুলিশ ফাড়িঁর ইনচার্জ ফায়াজ ফয়েজের মোবাইল ফোনে কয়েকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd