সিলেট ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ১১:১৫ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২০, ২০১৯
স্টাফ রিপোর্টার :: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় ফতেপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান চৌধুরী বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম এর অভিযোগ উঠেছে। তিনি ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিন্নাকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছেন। এই সুবাদে স্থানীয় এলাকার লোকজন তাহাকে অন্দের মতো বিশ্বাস করে যাচ্ছে। যার ফলে তিনি কোন অনিয়ম করলেই তা নিয়মে পরিনত হয়ে যায়।
অভিযোগে প্রকাশ, ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে ও বিন্নাকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহসিন উদ্দিনসহ একটি চক্রের প্রকাশ্য মদদে স্কুল মাঠে অবৈধ পশুরহাট গড়ে উঠেছে। স্থানীয় বিন্নাকান্দি গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের ছেলে সাব্বির আহমদের অনুকূলে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকায় ১ বছরের জন্য ইজারা পেয়েছেন। বিদ্যালয় চলাকালে এর আঙ্গিনায় পশুর হাটের বর্জ্যের গন্ধে শিক্ষার্থীদের মুখে রুমাল, টিস্যু দিয়ে অতিক্রম করতে হচ্ছে। চেয়ারম্যানের ভয়ে স্থানীয়দের কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি।
ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান চৌধুরীর একই সাথে দুইটি দায়িত্ব পালন নিয়ে নির্বাচনের পর থেকে স্থানীয়দের মধ্যে চলছে আলোচনা-সমলোচনার ঝড়। সচেতন মহলের প্রশ্ন এক ব্যাক্তি দুইটি দায়িত্ব পালন করেন কিভাবে। তিনি কি দুইটিরই বেতন ভাতা পাচ্ছে? বিদায় তিনি রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হতে চলেছেন।
চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান সড়যন্ত্রের শিকার হয়ে কারাগারে পঙ্গু বশির উদ্দিন। সে কারাগারে যাওয়ার পূর্বে চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান চক্রের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে গত সোমবার (১৮ নভেম্বর) সিলেট জেলা পুলিশ সুপারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বশির উদ্দিন।
বশির উদ্দিন ২য় খন্ড গ্রামে মৃত সিরাজ উদ্দিনের পুত্র ইউপি চেয়াম্যানের সড়যন্ত্রের শিকার হয়ে এই চক্রে সাজানো মিথ্যা মামলায় বর্তমানে কারাভোগ করছে সে। এখন তার পরিবার চোখে কান্না ছাড়া আর কিছু ঝুটছে না।
আসছে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অজানা আরও অনেক বিরল তথ্য—-
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd