সিলেট ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৯:০১ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৮, ২০১৯
নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেট রেলওয়ে স্টেশনে কাঙ্ক্ষিত ট্রেনের টিকিট পাচ্ছেন না যাত্রীরা।স্টেশন কাউন্টারে টিকিট না পেয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে তাদের। সেই টিকিটই মিলছে কালোবাজারে। কাউন্টারে না থাকলেও কালোবাজারে পাওয়া যাচ্ছে সব ট্রেনের টিকিট। এটি নিয়ন্ত্রণ করছে ষ্টেশনের সামনে যমুনা মার্কেটে ওয়ান মিডিয়া নামক একটি দোকানে। এই দোকানে রয়েছে বিশাল একটি চক্র। ওয়ান মিডিয়ার দোকানে একটি ছেলে ও একজন বয়স্ক লোক বসে টিকিট বিক্রি করছে।
ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করতে গেলে ষ্টেশনে না পাওয়ায়।রেল কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ কালে তারা বলেন, আমাদের কাছে সীমিত টিকিট।বাকি টিকিট ওয়ান মিডিয়ার লোকজন আগেই সংগ্রহ করে থাকে। এখানে গেলেই সব টিকিট পাওয়া যাবে।
তাদের কথা অনুযায়ী ওয়ান মিডিয়ায় গিয়ে টিকিটের কথা বলার সাথে সাথে তার বলেন কয়টি লাগবে। অথচ ষ্টেশনে কোন টিকিট নেই। অধিক মূল্যে ওয়ান মিডিয়ার কাছ থেকে টিকিট সংগ্রহ করতে হয় যাত্রীদের। যাত্রীদের অভিযোগ, বেশিরভাগ সময়ই তারা কাউন্টারে টিকিট পান না।কিন্তু ওয়ান মিডিয়ায় পাওয়া যায়।
এদিকে ষ্টেশনের কালোবাজারি চক্রের সদস্যরা যেভাবে বলে, সেভাবেই সিলেট স্টেশনে টিকিট বিক্রি হয়। কম্পিউটার রুমের মূল কক্ষ থেকে টিকিট ছাড়ার আগাম খবর চক্রকে দেওয়া হয়। চক্রের সদস্যরা আগে ভাগেই কাউন্টারে হাজির হয়। কেউ ৮টি, কেউ ১০টি করে টিকিট সংগ্রহ করে।এভাবে কাউন্টারে থাকা সব টিকিট কিনে নেওয়া হয়। একইভাবে মোবাইল কোটার টিকিটও আগে ভাগে কিনে নেয় ওয়ান মিডিয়া।
রেলওয়ের এক কর্মকর্তা টিকিট কালোবাজারি চক্রের কথা স্বীকার করে জানান, এই চক্র কাউন্টার থেকে কৌশলে টিকিট কিনে নেয়। প্রতিদিন একেকটি ট্রেনে ৪০টি সিট খালি থাকে। এসব সিটে বিভিন্ন স্টপেজে কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে চলন্ত অবস্থায় ট্রেনে ওঠে যাত্রীরা। চেক করা হয়, ভাড়াও নেওয়া হয়; কিন্তু খাতা-কলমে ওই আসনগুলো খালিই দেখানো হয়।
সিলেট স্টেশনের প্রধান কম্পিউটার অপারেটর জহির জানান, আমাদের কাছে সীমিত টিকিট আসে বাকি টিকিট গুলা ওয়ান মিডিয়ায় আগেই সংগ্রহ করে নেয়।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd