সিলেট ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১লা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৭:১২ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৯
স্টাফ রিপোর্টার: ৭১ এর বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় হারুন মিয়া ছিলেন টগবগে যুবক। মা-বাবাকে বাড়িতে রেখে দেশপ্রেমে ঝাঁপিয়ে পড়েন মুক্তিযুদ্ধে। জীবনবাজী রেখে যুদ্ধে দেশ স্বাধীন করলেও জীবনযুদ্ধে তিনি আজ পরাজিত সৈনিক। বর্তমানে বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন মিয়া স্ত্রী-সন্তানের মুখে দু’বেলা-দু’মঠো অন্ন জোগান দিতে -অটোরিকশা সিএনজি চালিয়ে কোনোমতে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন।
গোলাপগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণভাগ বাদেশ^র গ্রামের মৃত আব্দুল মাজ্জাদের ছেলে হারুন মিয়া। মাতা মৃত আমিনা খাতুন। এখন তিনি ৬৯ বছরের বৃদ্ধ। তিনি ১ ছেলে ও ২ মেয়ের জনক। বর্তমানে ঠিকানা ইসলাপুর দেবীকা ৯নং বাসায় ভাড়াটিয়া হিসাবে বসবাস করেন। সম্বলহারা এই মুক্তিযোদ্ধা বিঠে মাঠি পর্যন্ত নেই। ভাড়া বাসায় স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে দিন যাপন করছেন। একটি অটোরিকশা দৈনিক ৫শ টাকা ভাড়া নিয়ে চালান তিনি। আয়ের কোনো পথ নেই তার। পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। ৫ বছর যাবৎ সরকারি সুযোগ সুবিধা পাওয়ার পরও বীরমুক্তিযোদ্ধা হারুন মিয়া কষ্টে চলতে হচ্ছে পরিবার নিয়ে তাই তিনি সরকারের সহযোগিতা কামনা করছেন।
মুক্তিযোদ্ধা হারুন মিয়া তার যুদ্ধকালীন সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় জানান, ৭১-এর যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা বাবরুল হোসেন বাবুলের নেতৃত্বে ৪নং সেক্টর ১২ কুঞ্জিতে গিয়ে ৪নং সেক্টর কমান্ডার চিত্তরঞ্জন দত্তের সাথে দেখা হয়। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
এই মুক্তিযোদ্ধা হারুন মিয়া সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে অটোরিকশা সিএনজি চালিয়ে কোনোমতে খেয়ে না খেয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবনযাপন করে আসছেন হারুন মিয়া। গত বুধবার সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারের হারুন মিয়ার সাথে আলাপকালে তিনি জানান, সরকার প্রদত্ত যে ভাতাদি পাই, তা দিয়ে সংসার চলে না। এতে আমার ভবিষ্যৎ জীবনে অন্ধকার দেখছি। মুক্তিযোদ্ধা হারুন মিয়ার বই নং-৩৩০। তিনি সরকারের কাছে সাহায্য সহযোগিতা কামনা করেন।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd