সিলেট ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ১:২৬ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৫, ২০২৩
নিজস্ব ডেস্ক: সিলেট বিভাগের চার জেলার মিলনস্থল মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুরে চলছে আনুমানিক দেড়শ বছরের ঐতিহ্যবাহী ‘মাছের মেলা’। এই মেলায় প্রতিবছরই বসে জমজমাট জুয়া, পুতুল নাচের নামে অশ্লিল নিত্য ও মাদকের হাট। কিন্তু রহস্যজনক কারনে বরাবরই নিরব ভূমিকা পালন করে স্থানীয় প্রশাসন। আর এর বিনিময়ে পকেট ভারী হয় সংশ্লিষ্টদের এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
করোনাভাইরাসের কারণে বিগত দুই বছর বন্ধ থাকার পর সনাতন ধর্মালম্বীদের ধর্মীয় উৎসব পৌষ সংক্রান্তিকে উপলক্ষ করে শুক্রবার শুরু হয় তিন দিন ব্যাপী মাছের মেলা। মেলা শুরু প্রথম দিন সন্ধ্যার পর প্রশাসনের সিনিয়র কর্মকর্তারা মেলা পরিদর্শন করেন। এর পর স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে শুরু হয় জুয়ার আসর ও মাদকের হাট।
শুক্রবার গভীর রাত পৌনে ২টার দিকে মেলা ঘুরে দেখা গেছে, মাছের মেলা নয়, এ যেন জুয়া ও মাদকের জমজমাট হাট। স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে মৌলভীবাজার সদর থানা পুলিশ ও শেরপুর ফাঁড়ি পুলিশের সামনেই চলছে এসব অপকর্ম। এতে করে পথভ্রষ্ট হচ্ছে মেলায় আসার যুবক সহ তরুণরা।
জানা যায়, প্রতি বছর পৌষ-সংক্রান্তি ও নবান্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। গেল দুই বছর করোনাভাইরাস ও ওমিক্রন সংক্রমণ ঝুঁকির কারণে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় এই মেলাটি অনুষ্ঠিত হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়াতে এবছর ঐতিহ্যবাহী এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। সুযোগে মেলার নামে কিছু অসাধু লোক গভীর রাত থেকে চলছে জুয়া।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই এই কর্মযজ্ঞ চলছে। টানা তিন দিন মেলায় সাথে চলবে এসব জমজমাট আসর। এসব আসর থেকে হাতিয়ে নেতা হচ্ছে কাড়ি কাড়ি টাকা।
তবে বিষয়টি নিয়ে মেলা আয়োজক কমিটির কারো কোন বক্তব্য পাওয়া যায় নি।
মৌলভীবাজার সদর থানার ওসি মো. ইয়াছিনুল হক বলেন, আমি ছুটিতে ছিলাম। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে এখনই ব্যবস্থা নিচ্ছি।
মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান বলেন, আমরা দুপুরে বিষয়টি জানার পর অভিযান চালিয়েছি। এখন আমাদের কর্মকর্তারা মেলায় অবস্থান করছেন।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd