সিলেট ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৩রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ১২:৪৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৪, ২০২০
ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার কারারক্ষী জাকিরের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। কারারক্ষীদের ছুটি মধুর , ডিউটি বন্টন, আসামী জামিন সহ কারা অভ্যন্তরে ইয়াবা সহ মাদকদ্রব্যের অনুপ্রবেশ হচ্ছে তারই গড়ে ভােলা কারারক্ষীদের সিন্ডিকেটের ছত্রছায়ায়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে , সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের কারারক্ষী জাকির ( নং- ২১৭৬৫ ) বেশ কয়েকজন কারারক্ষীকে নিয়ে গড়ে তুলেছেন একটি সিন্ডিকেট। কায় জাকিরের এই সিন্ডিকেটে থাকা কারারক্ষীদের মধ্যে ও কাৱাৱক্ষী নং- ২২১৭৬ আতাউর সংস্থাপন শাখায় আছেন। সংস্থাপন শাখায় দায়িত্বরত কারারক্ষী অন্যান্য সাধারণ কারারক্ষীদের ছুটি মহুরের কাজে নিয়ােজিত। ওই কারারক্ষী সাধারণ কারারক্ষীলের ছুটি মন্থরের জন্য হাজার টাকার নিচে ছুটি মঞ্জুর করেন না কারা অভ্যন্তরে মরণনেশা ইয়াবা সহ মাদকদ্রব্যের অনুপ্রবেশ করছে বিভিন্ন কৌশলে। এর নেপথ্যে কারারক্ষী জাকির সিন্ডিকেট কলকাঠি নাড়ছে।
ফলে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে কার্জত মাদকদ্রব্যের আখড়ায় পরিনত হয়েছে। কারারক্ষী জাকির সিন্ডিকেটে জড়িত রয়েছেন কারারক্ষী আতাউর ( নং- ২২১৭৬ ) ও রিপন দাস ( নং- ২২১৮৭ ) – সিন্ডিকেট সদস্যদের মধ্যে কারারক্ষী আতাউর সিলেট কেন্দ্রীয় কায়সারের কারারক্ষীদের বিভিন্ন শাখায় নিয়ােগ দিতে গিয়ে মােটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
কাৱাৱক্ষী জারি সম্পর্কে আরও জানা গেছে যে , এই জাকির এর আগে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বিভাগীয় মামলা ও লঘুদন্ড নিয়ে রংপুর কারাগারে প্রশাসনিক বদলী হয়েছিলেন। তার ওপরে ৪ টি বিভাগীয় মামলা সহ ৬ টি লঘুদন্ড রয়েছে। সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সাবেক জেলার মাসুদ পারভেজ মঈনকে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী প্রমােদ কক শারিরীক ভাবে আঘাত করার সুনির্দিষ্ট অভিযােগের প্রেক্ষিতে কারারক্ষী জাকিরকে প্রশাসনিক করিণে রংপুর কারাগারে বদলী করা হয়েছিল। রংপুর কারাগারে বদলীপ্রাপ্ত হওয়ার পরও অজ্ঞাত কারণে পুনরায় সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে ফিরে আসতে সক্ষম হন।
সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সাবেক জেলার মাসুদ পারভেজ মঈনের সময়কালে জাকির সম্পর্কে এমন নজিরও ছিল পূর্বে লাইছ থাকা কালে – মহিলা কারারক্ষীদের সরাসরি কু – প্রস্তাব দিতেন তিনি। কারারক্ষী জাকির নিজেও একজন নিয়মিত মাদকসেবী। এছাড়াও বর্তমান সময়ের বহুল আলােচিত রায়হান হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত বন্দর বাজার পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আকবর ভূঁইয়ার সাথে কারারক্ষী জাকির ও আতাউরের যােগসাজস ছিল মর্মে জানা যায়। এসআই আকবর আসামী ধরার পর তাদের সাথে যােগাযােগ করে টাকা পয়সার বিভিন্ন লেনদেন করতেন। অনেক আসামীদের জেলের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ভাবে কষ্টে ও হয়রানির মধ্যে রাখার জন্য আর্থিক লেনদেন হতাে। বর্তমানে শুনা যাচ্ছে কারারক্ষী জাকির কারা অভ্যন্তরে টুপাইস কামাইয়ের লক্ষ্যে “ লাইছ ” ( ডিউটি বন্টন শাখা ) পদের জন্য জোড় চেষ্টা তদবীর করছেন।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd