সিলেট ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৬:৩০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৫, ২০২০
স্টাফ রিপোর্টার :: সিলেট নগরীর দরগা মহল্লা পায়রা-৭৬ নং বাসার ২য় তলায় গত ৫ ডিসেম্বর গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বরিশালের এক তরুণী। খবর পেয়ে কোতোয়ালী পুলিশ ওই তরুণীকে উদ্ধার করেন এবং প্রধান আসামি ধর্ষক বাবুল মিয়া (৩৫)কে গ্রেফতার করা হয়। ধর্ষিতা তরুণীকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেলের ওসিসি বিভাগে ভর্তি করা হয়। পরে ধর্ষিতা বাদি হয়ে গত ৮ ডিসেম্বর কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং- ১৫, জি.আর মামলা নং- ৬৬৫/২০১৯ ইং।
ওই মামলায় আসামি বাবুল ৮ মাস কারাভোগ করে জামিনে বেরিয়ে আসে। তবে অন্যান্য আসামিরা পলাতক রয়েছে। এরপর মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই দোলোয়ার হোসেন মামলাটি আপোষের জন্য বাদিকে চাপ প্রয়োগ করেন। কিন্তু বাদি বাবুলের সাথে মামলা আপোষ না করায় পূনরায় এসআই দোলোয়ার মোটা অংকের টাকা দিয়ে বাদিকে লোভ দেখান। তাতেও রাজি হননি বাদিনী। পরে এসআই দোলোয়ার ওই ধর্ষিতা বাদিনী ও তার প্রতিনিধিকে বিভিন্ন ভয় দেখাতে থাকেন। কিন্ত তারা কিছুতেই মামলা আপোষ করেননি। তবে বাদিনী ও তাহার প্রতিনিধির পিছো ছাড়েননি এসআই দোলোয়ার। তিনি সময়ে অসময়ে প্রতিনিধিকে মামলায় ঢুকানোর হুমকি প্রধান করেন এবং তাকে গ্রেফতারের ভয় দেখান। সর্বশেষ এসআই দোলোয়ার হোসেন আসামি বাবুল মিয়ার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে ধর্ষিতাকে পতিতা বানালেন এবং চুড়ান্ত রিপোর্ট মিথ্যা নং-১৭ বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করেন।
এবং চুড়ান্ত রিপোর্ট মিথ্যা নং-১৭ বিজ্ঞ আদালতে দাখিলের খবর পেয়ে ধর্ষিতা এসআই দোলোয়ারের বিরুদ্ধে গত ৩০ সেপ্টেম্বর এসএমপি পুলিশ কমিশনার বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই ধর্ষিতা বাদীনি।
ধর্ষিতার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কোতোয়ালীর এসআই দেলোয়ার বাদিনীকে হোটেলের পতিতা বানিয়ে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছেন। এমন চার্জশিট দেখে ধর্ষিতা কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং ন্যায় বিচারের জন্য পুলিশ কমিশনারের নিকট অভিযোগ করেন। বর্তমানে অভিযোগটি তদন্ত করছেন এসএমপির কোতোয়ালী থানার এসি নির্মলেন্দু চক্রবর্তী।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd