সিলেট নগরীর ফুটপাতের ক্ষুদ্র হকার্স ব্যবসায়ীদের সীমাহীন কষ্ট, দেখার কেউ নেই

প্রকাশিত: ১১:৪২ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৬, ২০২০

সিলেট নগরীর ফুটপাতের ক্ষুদ্র হকার্স ব্যবসায়ীদের সীমাহীন কষ্ট, দেখার কেউ নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেট নগরীর ফুটপাতের ক্ষুদ্র হকার্স ব্যবসায়ীদের সীমাহীন কষ্ট ও দূর্দশা দেখার কেউ নেই। করোনার শুরু থেকে ফুটপাত বন্ধ থাকায় এই ক্ষুদ্র হকার্স ব্যবসায়ী পরিবার গুলোর অনাহারে না খেয়ে দিন পর করতে হচ্ছে। ক্ষুধার জ্বালায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন অনেকেই। ত্রাণও পাচ্ছেন না সবাই। বাধ্য হয়ে কাজের সন্ধানে রাস্তায় নামছেন অনেকে। কিন্তু কাজও ঠিক মতো পাচ্ছেন না। রাস্তার পাশে দোকান নিয়ে বসলেই শুরু সিসিক ও পুলিশের অভিযান।

নগরীর এক ক্ষুদ্র হকার্স ব্যবসায়ী বলেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যারা মারা গেলে হয়তো ভালো হত, এরকম না খেয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে মরাটা অনেক ভালো! আর আমরা যারা হকার্স, অনেক কষ্টে আছি। না পারি মরতে, না পারি বাঁচতে। ক্ষুধার জ্বালায় প্রতিদিন রাস্তায় নামতে হচ্ছে। কিন্তু প্রতিদিন সকাল থেকে বিকাল পযন্ত রাস্তার দ্ধারে দ্ধারে গোরতে থাকি। সোজোগ পেলেই একটু দোকান খোলার চেষ্টা করি। তবে দোকান খোলার সাথে সাথে শুরু হয় আমাদের উপর নির্যাতন। এই সময় বেঁচে থেকে অনেক বিপদে আছি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরিবারের জন্য খাবার সংগ্রহের জন্য রাস্তায় নামতে হয়। মরে যেতে পারলে সব ঝামেলা শেষ হয়ে যেত।

সিলেট মহানগর হকার্স লীগের সভাপতি রকিব আলী জানান, ফুটপাতের হকার্স ব্যবসায়ীরা অনেক কষ্টে জীবন পার করছে। অনেক পরিবার ক্ষুধার যন্ত্রণায় ছটপট করছে। কিন্তু কি করবো? নিজের সামর্থ অনুযায়ী সহযোগীতা করছি। কয় পরিবারকে করবো? তা কতোদিন সম্বভ। যদি ফুটপাতে কোন হকার্স বসে তাহলে পুলিশ দেখার পরই দৌড়ে পালায়।

তিনি আরও বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সাহেব আমাদের দিকে একটু নজর দেন তাহলে হয়তো আমরা আবার হকারে বসতে পরবো। সামনে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে একটু বসার সোজোগ করে দেওয়ার  জন্য মেয়রের নিকট অনুরোধ করছেন রকিব আলী।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..