সিলেট ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৬:২১ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৪, ২০২০
সিলেট :: গত ১৩ জুলাই আটাব সিলেট অঞ্চল কর্তৃক প্রেরিত ও ২/১ টি অনলাইন নিউজে প্রকাশিত প্রতিবাদের আসল রহস্য প্রচারের জন্য আপনাদের বরাবরে প্রেরন। আটাব বাংলাদেশের একটি বড় বানিজ্যিক সংগঠন। যার সদস্য সংখ্যা প্রায় ৪,০০০ (চার হাজার)। আটাবের জন্মলগ্ন থেকে বিভিন্ন সময় অসাধু ব্যবসায়ী ও কুচক্রী মহল ক্ষমতায় আসে এবং সদস্যদের স্বার্থে ক্ষুন্ন করার বা অবৈধকাজে লিপ্ত হলে আটাব সদস্যরাই এর প্রতিবাদ করে এবং ব্যবসায়ীক ক্ষতি বা যে কোন সদস্যের স্বার্থ ক্ষুন্ন হলে প্রতিবাদ বা স্বারকলিপি প্রদান করা প্রত্যেক সদস্যের অধিকার রয়েছে।
আটাবের বর্তমান কমিটির প্রায় ৭ মাস এখন পর্যন্ত সদস্যদের স্বার্থ সংরক্ষনে কোন উদ্যোগ গ্রহন করেন নাই বরং বিভিন্ন ভাবে নিজেদের স্বার্থে হাসিলে ব্যস্ত রয়েছেন এরই অংশ হিসাবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্ম সিলেটের ব্যবস্থাপককে অনুরোধ করে ১৩.০৭.২০২০ ইং তারিখ ঢাকা-লন্ডন একটি অ ফ্লাইট এর ব্যবস্থা করেন এবং আটাব সিলেট অঞ্চলের সভাপতি, বহিরাগত সহ কয়েক সদস্য আটাব অফিসে না বসে জোনাল কমিটি বা সাধারন সদস্যদের কোন চিঠি ইস্যু না করে গোপনীয় ভাবে অন্য জায়গায় বসে মিটিং করে সিট ভাগাভাগি করেন ।বিমান সিলেট অফিস উনাদের মৌখিক ভাবে ও ইমেইল এর মাধ্যমে আটাবকে অবগত করার পর ও আটাব সিলেট অঞ্চল কোন সদস্যকে না জানিয়ে নিজেদের মধ্যে ৭/৮ জন ১৩৫ টি সিট নামে-বেনামে বুকিং করেন যার ফলে সাধারন আটাব সদস্যরা বা প্রবাসীরা আসন খালি না থাকায় বুকিং করতে পারেন নাই ।পরবর্তীতে বেনামী বুকিং করা নাম বদলাতে না পেরে আটাব সভাপতি ৫৯টি সিট ক্যানসেল করেন এবং লতিফ ট্রাভেলস ৪৫টি সিট ক্যানসেল করে বেনামী বুকিং করা এবং ক্যানসেল করা বিমানের সম্পূর্ণ বেআইনী কারন এই ধরনের কাজে বিমান বিরাট অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মূখীন হয়।
“আটাব গণতান্ত্রিক ঐক্য ফ্রন্ট“২০০২ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত আটাবের দায়িত্বে ছিল এবং এখন পর্যন্ত সদস্যদের স্বার্থে সংরক্ষন বা আটাব সদস্যদের উপকারে আসে এই কাজগুলী “আটাব গণতইন্ত্রক ঐক্য ফ্রন্ট “ করে থাকে ।আটাব সিলেট অঞ্চলের সভাপতি মোতাহার হোসেন বাবুল সোমা ইন্টাঃ সার্ভিসেস এর স্বত্ত্বাধিকারী ১৩.০৭.২০২০ইং তারিখের ফ্লাইট কোন সদস্যকে না জানিয়ে দায়িত্ববান হয়ে নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য অনেক সিট বুকিং কারনে এবং বেনামী সিট নাম বদলাতে না পেরে ৫৯টি সিট ক্যানসেলকরেন সাথে সাথে লতিফ ট্রাভেলস বহু সিট বুকিং করে একই ভাবে নাম বদলাতে না পেরে ৪৫টি সিট ক্যানসেল করেন ।যা সিলেট অঞ্চলের প্রায় ১৯০ জন সদস্যের ব্যবসায়ীক ও অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধন করেছে ।বানিজ্যিক সংগঠনে দায়িত্ব প্রাপ্ত দ্বারা সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্থ হলে যে কোন সদস্য প্রতিবাদ করার বা স্বারকলিপি দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।
আমাদের স্বারকলিপি প্রদানে এবং মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রীর নির্দেশে বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় তদন্ত করে আটাব সিলেট অঞ্চরের সভাপতির সোমা ইন্টাঃ সার্ভিসেস এবং হাবের সেক্রেটারী জহিরুল কবির শীরু পরিচালিত লতিফ ট্রাভেলসকে দোষী প্রমানিত হয় এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এই দোষী ২ এজেন্সীকে টিকেট ইস্যু করা ব্লক করে রাখে । আমরা সোমা ইন্টারঃ সার্ভিসেস এবং লতিফ ট্রাভেলস সহ অবৈধ কার্যকলাপের সাথে জড়িত প্রতিষ্টানের তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য স্বারকলিপি প্রদান করেছিলাম আটাবের বিরুদ্ধে নয়।
আটাব প্রতিবাদ করে প্রমাণ করেছে এ ধরনের অবৈধ কাজের প্রশয় দাতা আটাব ।এখানে উল্লেখ্য যে, আটাব ইসি কমিটি কোন সভা করে প্রত্রিকায় নিউজের প্রতিবাদ করে নাই। বরং সোমা ইন্টাঃ সার্ভিসেস এর মালিক জনাব মোতাহার হোসেন বাবুল ও লতিফ ট্রাভেলস এর অন্যতম পরিচালক হাব এর বর্তমান সেক্রেটারী জনাব জহিরুল কবির চৌধুরী শীরু তিনিরা নিজেরা সদস্যদের ও বিমান প্রশাসনের কাছ থেকে রক্ষা পেতে অর্নৈতিকভাবে অঞঅই এর প্যাড ও পোষ্ট ব্যবহার করছেন। মূলত “আটাব ও হাব“ এর বিরুদ্ধে নয় সোমা ইন্টাঃ সার্ভিসেস ও লতিফ ট্রাভেলস এর অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদ ও স্বারকলিপি প্রদান। বানিজ্যিক সংগঠনের সদস্য হিসাবে যে কোন সদস্যই যে কোন অন্যায় ও অনৈতিক কাজের প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে।বিজ্ঞপ্তি
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd