কোম্পানীগঞ্জে দুই ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত: ১০:৩০ অপরাহ্ণ, মে ১৬, ২০২০

কোম্পানীগঞ্জে দুই ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বিএনপির দুই ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি ত্রাণ ও রেশনকার্ডে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠেছে। উপজেলার ১নং পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য ও পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি দুলাল মিয়া দুলা ও ৯নং ওয়ার্ডের সদস্য এবং উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আজির উদ্দিনের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ এনে প্রবাসী ও বৈদেশিক কল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদ বরাবরে অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয়রা।

আবেদনের অনুলিপি- সিলেটের জেলা প্রশাসক, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে প্রেরণও করেন তারা।

আবেদনকারীরা হলেন, ৮নং ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি মো. আব্দুস সামাদ, সাধারণ সম্পাদক লোকমান মিয়া, ৯নং ওয়ার্ড আ.লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল করিম ও সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাঈল আলী।

অভিযোগকারী আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দরা বলেন, করোনাকালীন সংকট মোকাবিলায় সরকার গরীব-দরিদ্র, ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবন রক্ষার জন্য নানাভাবে দফায় দফায় ত্রানসামগ্রী বিতরণ ও রেশন কার্ড পদ্ধতিতে চাল বিতরনের ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন। কিন্তু ইউপি সদস্য দুলাল মিয়া দুলা ও আজির উদ্দিন তাদের পছন্দের লোকদের নিয়ে কমিটি গঠন করেছেন। নিজেদের ইচ্ছে মতো ত্রাণ বিতরণ করছেন। এছাড়াও গরীব অসহায়দের না দিয়ে তারা উক্ত রেশন কার্ডগুলো স্বচ্ছল ও রেশন কার্ড পাওয়ার অযোগ্য ব্যক্তিদের প্রদান করেছেন।

অভিযোগে তারা আরও বলেন, ত্রাণ বিতরণের জন্য যাদের তালিকা করা হয়েছে, সেখানে শুধুমাত্র তাদের পছন্দের লোকদেরই নাম রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে অসহায়, দরিদ্র ও কর্মহীন মানুষের মাঝে কোন ত্রাণ দেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য আজির উদ্দিন বলেন, অভিযোগকারীরা অভিযোগ করেছেন তা সত্য। তবে আমার বিশ্বাস আমি ত্রাণ বিতরণে কোন অনিয়ম করিনি। কিন্তু তালিকায় দুই থেকে তিন জন স্বচ্ছল থাকতেও পারেন। আর সত্যি সত্যি যদি স্বচ্ছল ব্যক্তি থেকে থাকে তাহলে তা আমাদের অনিচ্ছাকৃত ভুল। কেননা অল্প সময়ের মধ্যে তালিকা প্রস্তুত করতে হয়েছে আমদের।

এদিকে বারবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেও ইউপি সদস্য দুলাল মিয়া দুলা’র কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আবেদনের অনুলিপি প্রাপ্তের সত্যতা নিশ্চিত করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমন আচার্য্য বলেন, যাচাই-বাছাইয়ের সময় ট্যাগ অফিসারদের উপস্থিতিতে তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। এরপরেও যদি কোন ধরণের অনিয়ম হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..