সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের দক্ষিন জেনো চেইন অব কমান্ডে ঘাটতি

প্রকাশিত: ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ, মে ১১, ২০২০

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের দক্ষিন জেনো চেইন অব কমান্ডে ঘাটতি

বাবর হোসেন :: সিলেট মেট্রোপলিঠন পুলিশের দক্ষিন জেনো চেইন অব কমান্ডে ঘাঠাতি রয়েছে বলে আভাষ পাওয়া গেছে। গত ৯ মে শনিবার দিবাগত রাতে দক্ষিন সুরমার কীং ব্রীজ সংলগ্ন স্থানে গড়ে ওঠা একটি বিরাট জুয়ার আসর ভেঙ্গে দিতে ব্যর্থ হয়েছেন দক্ষিণ জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার সোহেল রেজা নিজেই।

৯ মে শনিবার দিনের বেলা জোনের ডিসি,র কাছে এলাকার কিছু নাগরিক মোবাইল ফোনে বড় ধরনের জুয়ার আসর টির ব্যাপারে অভিযোগ করেন।

রাতে তারাবির নামাজের পর সাড়ে ১০ টার দিকে ডি বি,র ইন্সপেক্টর সারোয়ার আমাদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ জুয়ার আসর টিতে অভিযান চালানোর আগেই জুয়াড়ি বাদশার মোবাইলে ডি বি পুলিশের সাথে থাকা এ এস আই বাবুল অভিযানের বিষয়টি জানিয়ে দেন।

অভিযানকারী পুলিশ দল ঘটনাস্থল লাল মিয়ার সহ সিলের পিছনে তিলের খাজা কারখানার গোদাসে পৌঁছার আগে জুয়াড়িরা অন্যত্র পালিয়ে যায়।

অভিযানকারী পুলিশ অফিসার ঘটনাস্থলে পৌঁছে অপরাধী কাউকে না পেলেও কিছু আলামত পান এবং ছবি সংগ্রহ করেন পুলিশ চলে যাবা আধঘণ্টার মধ্যে পুনরায় জোরু হয় রাত দুইটা পর্যন্ত ৩০/৩৫ জন জুয়াড়ি তাদের খেলা চালাতে থাকে ।পুনরায় জুয়া খেলা শুরু হবার পর ডিসি সোহেল রেজা কাছে বিষয়টি আবারো পৌঁছে কিন্তু পুলিশ দল পুলের মুখে গেলেও ঘটনাস্থলে না গিয়ে জুয়ার বোর্ডের অন্যতম সদস্য জায়েদের সাথে দেখা করে চলে যায়।

এক্ষেত্রে প্রশ্ন দেখা দেয় পুলিশ কমিশনার সোহেল রেজা জুয়াড়িদের ধরার ব্যাপারে দক্ষিণ সুরমা থানার এসি/ওসি কিংবা ফাড়ির আইসি কে নির্দেশ দিলেন না কেনো?

এ ব্যাপারে রাত পৌনে তিনটার দিকে টার্মিনাল ফাঁড়ির আইসি ফয়েজ উদ্দিন ফয়েজের সাথে মোবাইলে কথা বললে তিনি জানান , ডি সির নির্দেশে এ ধরনের অভিযানের ব্যাপারে তিনি অবগত ছিলেন না।জুয়ার আসর টির কথা তিনি শিকার করেন এবং বলেন এএসআই বাবুল নাফে দক্ষিণ সুরমা থানার একজনের পোস্টিং রয়েছে। গোলাপগঞ্জের প্রখ্যাত জুয়াড়ি আশিকের নেতৃত্ব একদল জুয়াড়ির উক্ত জোয়ার আসরে থাকার বিষয়টি অবগত হয়ে আইসি ফয়েজ বিশ্বস্ত হন জুয়ার আসর টি উচ্ছেদ সংক্রান্ত ব্যাপারে দক্ষিণ জোনের ডিসি সরাসরি জড়িত থাকার কারণে এ ব্যাপারে এসএমপির ভিডিও অফিসার জেদান আল মুছার কোন বক্তব্য নেওয়া হয়নি ইচ্ছে করে।

জানা যায় এ ধরনের জুয়ার আসর বসাতে সংশ্লিষ্ট থানা ,ফাড়ি ও গোয়েন্দা পুলিশের বকরা ফান্ডে এক মাসের অগ্রিম টাকা জমা দিয়ে অনুমোদন নিতে হয়।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..