পেটের টানে রাস্তায় এসেছি, চাকরি না থাকলে খাবো কি?

প্রকাশিত: ৮:৫৬ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৩, ২০২০

পেটের টানে রাস্তায় এসেছি, চাকরি না থাকলে খাবো কি?

ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : গার্মেন্ট বন্ধ ছিল তাই বাড়ি চলে এসেছিলাম। রবিবার থেকে গার্মেন্ট খোলা। ঠিকসময়ে অফিসে না গেলে চাকরি হারাবো। পেটের তাগিদেই ঢাকা রওনা হয়েছি। সব ভয়কে উপেক্ষা করে রাস্তায় নেমেছি। চাকরি চলে গেলে তিন সন্তান নিয়ে কি খেয়ে বেঁচে থাকব। ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের ত্রিশাল বাসষ্ট্যান্ডে কথা হওয়ার পর এমনটাই জানালেন স্বামীহারা চল্লিশোর্ধ জুলেখা খাতুন। কোন গনপরিবহন না থাকায় বেশি ভাড়া দিয়েই তিনি উঠেছিলেন একটি পিকআপ ভ্যানে। কিন্তু সেখানে বাঁধসাধে পুলিশ। গাড়ি থেকে সকল যাত্রীকে নামিয়ে জরিমানা করে গাড়িকে। জুলেখার আর গাড়ি উঠা হল না। আবার হাটা শুরু করে মহাসড়কেই। যেখানে গাড়ি পাবে সেখান থেকে গন্তব্যে পৌঁছার জন্য গাড়িতে উঠবে তিনি। মহাসড়কে জটলা দেখলেই কিছুক্ষণ পর পর ধাওয়া দিয়ে যাত্রীদের সরিয়ে দিচ্ছে পুলিশ।

শুক্রবার সকাল থেকে দিনভর ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের ত্রিশাল বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় ঢাকাগামী যাত্রীদের জটলা লেগেই ছিল। দুরপাল্লার কোন গাড়ী না থাকায় পিকআপ ভ্যান, মাইক্রোবাস, ট্রাক ও লেগুনাসহ অন্যান্য ছোট যানবাহনগুলো তিনগুন ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করছে যাত্রীরা। যাদের মধ্যে অধিকাংশ যাত্রীদের রবিবার থেকে খোলা থাকবে অফিস। একদিন আগে থেকেই কর্মস্থলে পৌঁছানোর জন্য ৫-১০ কিলোমিটার রাস্তা পায়ে হেঁটে মহাসড়কে এসে দুর্ভোগ আর চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

দায়িত্বরত পুলিশের এসআই আব্দুল কাইয়ুম বলেন, আজ সকাল থেকেই ঢাকামুখী মানুষের ঢল নেমেছে। আমরা মানুষের জটলা দেখলে তাদেরকে সরানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু যাত্রীরা এদিক ওদিক ছুটাছুটি করে আবার একসাথে হয়ে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে থাকে।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..