করোনা প্রতিরোধ করে অসহায়দের পাশে দাঁড়াতে হবে: মন্ত্রী ইমরান

প্রকাশিত: ১:৫৮ অপরাহ্ণ, মার্চ ৩১, ২০২০

করোনা প্রতিরোধ করে অসহায়দের পাশে দাঁড়াতে হবে: মন্ত্রী ইমরান

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি :: গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জৈন্তাপুর উপজেলাবাসীসহ দেশব্যাপী সাধারণ মানুষের কাছে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি। করোনা ভাইরাসের বর্তমান পরিস্থিতিকে ধৈর্য এবং সাহসের সাথে প্রতিরোধ করার আহ্বান জানান তিনি।

এই প্রতিবেদকের সাথে মঙ্গলবার মোবাইলে ফোনে একান্ত আলাপচারিতায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি এসব কথা বলেন।

করোনা ভাইরাস থেকে নিজেদের এবং পরিবারের সুরক্ষার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া নির্দেশনা সমুহকে যথাযথভাবে মেনে চলার আহবান জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে জানা যায়, করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে সর্বাধিক বয়স্কদের অবস্থা খুব ভয়াবহ হয়ে পড়ে। সুতরাং পরিবারের সকল সদস্যরা বয়স্কদের প্রতি আরোও সংবেদনশীল ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। করোনা ভাইরাস প্রসঙ্গে করোনা ভাইরাস সংক্রামন মোকাবেলায় সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের উল্লেখ করে বলেন, প্রবাস থেকে যারা দেশে এসেছেন তাঁদেরকে অবশ্যই নিজের,পরিবারের এবং জাতির স্বার্থে অন্তত ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। ঘাতকব্যাধি করোনা ভাইরাস নিয়ে যারা গুজব ছড়াচ্ছেন তাঁদের সতর্ক করে দিয়ে মন্ত্রী বলেন, এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, কোয়ারেন্টিনে থাকাবস্থায় দেশের হতদরিদ্র পরিবারগুলোতে খদ্যের কোন ঘাটতি হবেনা। সরকার পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্য সামগ্রী মজুদ রেখেছেন।

ইতিমধ্যে প্রবাসীমন্ত্রীর নির্দেশনায় সিলেটের জেলা প্রশাসক এম. কাজী এমদাদুল ইসলাম গোয়াইনঘাটে জিআর (ক্যাশ) টাকা দিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে ত্রাণসামগ্রী বরাদ্দ দিয়েছেন। ওই ত্রাণসামগ্রী থেকে গোয়াইনঘাট উপজেলার প্রত্যেকটি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ত্রাণ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফারুক আহমদ, গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুস সাকিবসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা।

এছাড়া মন্ত্রীর নির্দেশে স্থানীয় এলাকাবাসীদের মধ্যে থেকে ত্রাণসামগ্রী বিতরণে এগিয়ে এসেছেন বিত্তশালীরাও। বিশেষ করে তামাবিল ব্যাবসায়ী সংগঠন, জাফলং ব্যাবসায়ী সংগঠন, ক্রাশারমিল মালিক সমিতি, পাথর ব্যাবসায়ী সমিতিসহ ব্যাক্তিগতভাবে অনেক বিত্তশালীরা ত্রান সহায়তা অব্যাহত রেখেছেন।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..