বির্তকিত সেই এসআই মতিউর গোয়াইনঘাট থানায় যোগদান

প্রকাশিত: ১২:১৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৩, ২০১৯

স্টাফ রির্পোটার :: প্রতিষ্টালগ্ন থেকে সুনামের সহিত গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের নিরংকোশ দ্বায়িত্ব পালনের ইতিহাস থাকলে। বিগত ২০১৭-১৮ সালে পুলিশ বিভাগের ইমেজকে কুন্ন করা এবং থানার সবচেয়ে সমালোচিত,পাথর রাজ্যে ছিল যার একচেটিয়া আধিপত্য। যার আধিপত্যে আর প্ররোচনায় প্রাণ হারাতে হয়েছে বেশ কয়েকজন পাথর শ্রমিককে। বিভিন্ন সময়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে শ্রীঘরে কিংবা বসত ভিটা ছেড়ে দেশান্তর হয়েছেন অনেকে। এছাড়াও সরাসরি থানা কম্পাউন্ডে রমরামা ব্যবসা ও পাথর কোয়ারীতে লাইনের নামে উৎকোচসহ বিভিন্ন সময়ে মিথ্যে মামলার ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করা সেই বির্তকিত এসআই মতিউর রহমান পুনরায় গোয়াইনঘাট থানায় যোগদানে জনমনে দেখা দিচ্ছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

মাদক বিরোধী সেল সিলেট থেকে এক বছরের মাতায় পুনরায় এসআই মতিউর রহমান গত ১নভেম্বর গোয়াইনঘাট থানায় এসআই হিসেবে যোগদানে উপজেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে নানা কুরুচিপূর্ন মন্তব্য।

যানাযায়, বিগত ১৩নভেম্বর ২০১৭ইং সীমান্ত জনপদ জাফলং মন্দিরের জুম এলাকায় পাথর উত্তোলন করতে গিয়ে গর্ত ধ্বসে মাটি চাপায় ১৭ বসর বয়সি চম্পা দাস নিহত হন। ঐ ঘটনায় জ্যেতি বিকাশ,দিপ্ত সরকার,অজিৎ সরকারসহ ৪জন গুরুতর আহত হন। এরপর ৩জানুয়ারী ২০১৮ইং বিকেল ৫টায় ঐ স্থানে ( মন্দিরের জুম) এলাকায় বোমা মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলন কালে পাড় ধ্বসে ঘটনাস্থলেই ১নারীসহ ৪জন পাথর শ্রমিক নিহত হয়েছিলেন। নিহতরা হলেন সুনামগঞ্জের জগন্নাতপুর উপজেলার মিরপুর গ্রামের মৃত মফিজ উল্লাহর ছেলে নুর মিয়া (৪০), হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার বানেশ^র পুরের মৃত ইব্রাহিম আলীর ছেলে জহুর আলী (৫০), তারই ছেলে মুজাহিদ মিয়া (২২), একই পাড়ার আল আমিনের স্ত্রী সফিরুন নেছা(৩৫), একই ঘটনায় আহত বানিয়চংয়ের তাজুদ উল্লাহর ছেলে সাদেক মিয়া গুরুতর আহত হলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেম ফেইজবুক,প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক্স ছাড়াও অনলাইন নিউজপোর্টালে এমন খবর চাউর হলে তাৎক্ষনিক উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বির্তকিত এসআই মতিউর রহমানকে পুলিশ লাইনে সরিয়ে নেওয়া হয়। তৎকালিন সময়ে অফিসার ইনচার্জ দেলোওয়ার হোসেন’র নেতৃত্বে এসআই মতিউর রহমান সীমান্তের মাদক,হেরোইন,গাজাঁ,সকল প্রকার নিষিদ্ধঘোষিত ভারতীয় পন্য আমাদানিকারক ও চোরা কারবারীদের সাথে সংখ্যাৎ গড়ে নিরবে চালিয়ে যেতেন অপরাধ বানিজ্য। কারো সাথে অর্থনৈতিক মনমালিন্য হলেই ফাসিয়ে দিতেন বিভিন্ন মামলায় এমনও নজির রয়েছে তার বিরোদ্ধে।

পাথর কোয়ারীতে যেভাবে নেতৃত্ব দিতেন এসআই মতিউর রহমান, ২০১৭-২০১৮সালের তৎকালিন সময়ে সীমান্ত জনপদ জাফলং পাথর কোয়ারী এলাকায়। ধারাবাহিকভাবে দ্বায়িত্ব পালনের সুবাদে এসআই মতিউর রহমান অপরাধীদের সাথে গড়ে তোলেন অপরাধ বানিজ্য। প্রতিদিন কোয়ারী এলাকার গর্ত প্রতি ৫হাজার টাকা থেকে ২০হাজার টাকা দৈনিক “লাইন” হিসেবে উত্তোলন করতেন। এছাড়াও মাদক,জোয়া,তীর খেলা,হেরোইনসহ নানা অপারাধের সাথে অৎপ্রতভাবে জড়িয়ে আলোচনার শীর্ষে এসেছিলেন তিনি।

স্থানীয়দের মতে, সম্প্রতি সময়ে পুলিশ বিভাগের আইকন সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম। সীমান্ত এলাকা গোয়াইনঘাট থানায় একাধিক ন্যাক্ষারজনক ঘটনার নায়ক,বির্তকিত পুলিশ কর্মকর্তা এসআই মতিউর রহমানকে কিভাবে পূনরায় এ থানায় যোগদান দেন তা আমাদের কাছে বোধগম্য নয়…? আমরা এমন বেদনা দায়ক ঘটনার পূনরাবৃত্তি চাইনা। মাননীয় পুলিশ সুপার মাহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম মহোদয়ের কাছে আকুল আবেদন করছি। এমন বির্তকিত পুলিশ কর্মকর্তাকে গোয়াইনঘাট থেকে সরিয়ে না নিলে পুনরায় শান্তি প্রিয় গোয়াইনঘাটে আবারও লাশের মিছিল কিংবা মিথ্যে মামলায় ভুগবে অগনিত পরিবার ক্ষুন হবে পুলিশ বিভাগের ইমেজ।

সংবাদটি চলমান থাকবে—–

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

November 2019
S S M T W T F
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30  

সর্বশেষ খবর

………………………..