কানাইঘাটের ষড়যন্ত্রমুলক ধর্ষণচেষ্টা মামলায় জেল কাটছেন জকিগঞ্জের হাফেজ হাসান

প্রকাশিত: ৮:০৭ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৫, ২০১৯

কানাইঘাটের ষড়যন্ত্রমুলক ধর্ষণচেষ্টা মামলায় জেল কাটছেন জকিগঞ্জের হাফেজ হাসান

সিলেটের কানাইঘাট থানায় দায়েরকৃত ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মিথ্যা ধর্ষণের চেষ্টা মামলায় জকিগঞ্জের এক নিরীহ ব্যক্তি হয়রানীর শিকার হয়েছেন। গত ১৬ আগস্ট এ মামলা দায়ের করেন কানাইঘাট উপজেলার ১নং লক্ষীপ্রসাদ ইউনিয়নের এরালীগুল গ্রামের মো. আব্দুল জলিলের পুত্র মো. রুবেল আহমদ। মামলায় তিনি ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জকিগঞ্জের আটগ্রামের মরিচা গ্রামের মাসুক আহমদের পুত্র হাফেজ মো. হাসান আহমদকে আসামী করেন। মামলার পর হাসান আহমদকে কানাইঘাট থানা পুলিশ গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করে। হাসান আহমদ বর্তমানে মিথ্যা মামলায় কাবাবরন করছেন।

এ মিথ্যা মামলা রেহাই পেতে সরকার ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী হাসান আহমদের মা সুনারা বেগম।

জানা যায়- গত ১৬ আগস্ট কানাইঘাট থানায় ধর্ষণ চেষ্টার একটি মামলা দায়ের করেন রুবেল আহমদ। যার নং- ৬, (১৬.৮.১৯)। মামলায় এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন- ১৫ আগস্ট তার ৭ বছরের মেয়ে মোছা. মুবিনা জান্নাত নোহাকে আসামী মো. হাসান আহমদ তার এরালীগুল গ্রামে নিজ বসতঘরে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পরে মেয়ের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে।

এজাহারে ঘটনাস্থল হিসেবে- কানাইঘাট উপজেলার ১নং লক্ষীপ্রসাদ ইউনিয়নের এরালীগুল গ্রামের হাসান আহমদের বসতঘর উল্লেখ করা হয়েছে।

কিন্তু হাসান আহমদের মা সুনারা বেগম জানান- ওই দিন এরালীগুল গ্রামে এরকম কোন ঘটনাই ঘটেনি। এমননি আমার পুত্র হাসান আহমদ মামলায় বর্ণিত ১নং লক্ষিপ্রসাদ ইউনিয়নের এরালীগুল গ্রামের স্থায়ী কিংবা অস্থায়ী বাসিন্দাও নন। এরালীগুল গ্রামে তার কোন বাড়ি-ঘরও নেই। তাহলে কিভাবে হাসান আহমদ তার নিজ বসতঘরে মোছা. মুবিনা জান্নাত নোহাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে।
সুনারা বেগম জানান- তাদের গ্রামের বাড়ি জকিগঞ্জের আটগ্রাম এলাকার মরিচা গ্রামে। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাঁর ছেলে হাসান আহমদকে ফাঁসাতে নিজের মেয়েকে দিয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন মো. রুবেল আহমদ।

সুনারা বেগম আরো বলেন- রুবেল আহমদ ও তাঁর বড় ভাই শিবলু দুসম্পর্কে আমার ভাই হন। তারা দুজনই রাজমিস্ত্রীর কণ্ট্রাক্টর হিসেবে কোম্পানীগঞ্জে কাজ করছেন। এ সুযোগে রুবেল ও শিবলুর সাথে কোম্পানীগঞ্জে আমার বড় ছেলে হোসেন আহমদ ও ছোট ছেলে কাওসার আহমদ রাজমিস্ত্রী কাজ করেন। রাজমিস্ত্রী কাজের মজুরী বাবত রুবেলের নিকট ১৮ হাজার ও শিবলুর নিকট ৯ হাজার টাকা পাওনা হন। উক্ত টাকা আনতে তাঁর ছেলে হাসান আহমদ ১৫ আগস্ট রুবেল ও শিবলুর বাড়িতে যান। রুবেল ও শিবলু হাসান আহমদকে পাওনা টাকা না দিয়ে উল্টো ধর্ষণ চেষ্টার নাটকীয়তা দিয়ে মামলা দায়ের করেন। যে মামলায় আমার নিরপরাধ ছেলে কারাবরণ করছে।

এ ব্যাপারে কানাইঘাট থানার ওসি সামসুদ্দোহা পিপিএম বলেন, এ ঘটনা আমি শুনেছি। তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

August 2019
S S M T W T F
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  

সর্বশেষ খবর

………………………..