সিলেট ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৮শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৭:৫৯ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৬, ২০২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক, গোয়াইনঘাট :: সিলেটের গোয়াইনঘাটে চলতি অর্থবছরে ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে পাঁচশত পানির উৎস স্থাপিত হচ্ছে। এতে নিরাপদ পানির সুবিধা পাবে উপজেলার পাঁচ হাজারেরও বেশি পরিবার। আসছে মার্চ মাসের মধ্যেই কাজ শেষ হবে বলে জানান জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মোঃ ইউনুস আলী।
সাড়ে ৩ লাখেরও বেশি জনঅধ্যুষিত গোয়াইনঘাটে নিরাপদ পানির তীব্র সংকট নিরসনে সরকার প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে স্থাপন করছে নিরাপদ পানির উৎস। ফলে উপজেলার জনসাধারণের পানিবাহিত রোগের প্রকূপ অতীতের চেয়ে অনেক কমেছে। চলতি অর্থ বছরে হাওরাঞ্চলে নিরাপদ পানি সরবরাহ স্যানিটেশন ও হাইজিন প্রকল্পের আওতায় ১৫টি টয়লেটসহ ৩ কোটি সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে দুইশত ১০টি গভীর নলকূপ এবং সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় ২ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২ শত ৮৬ টি গভীর/অগভীর নলকূপ/রিংওয়েল স্থাপন করা হচ্ছে।
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ ইউনুস আলী জানান, আগামী এপ্রিল-মার্চ মাসেই প্রকল্প গুলোর কাজ শেষ হবে। সরকারের নিরাপদ পানির উৎস স্থাপনের ফলে পরিবর্তন এসেছে উপজেলার মানুষের জনস্বাস্থ্যে। কমেছে পানিবাহিত রোগের মরণঘাতি থাবা।
টিউবওয়েল স্থাপনে সংশ্লিষ্টদের তদারকি জরুরী বলে মনে করেন সচেতন মহল। তাদের মতে এখানে কোন ঠিকাদার কোন দিন আসে না, মিস্ত্রী নামে যে থাকে সে-ই ঠিকাদার আর প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করে। ফলে নানা জটিলতায় টিউবওয়েল স্থাপন হয় বাঁধাগ্রস্থ। শুধু তাই নয় গোয়াইনঘাটে যে বাড়িতে নলকূপ স্থাপন করা হয়, ঠিকাদারের ১০-১২ জন লোকের খাবার চাপিয়ে দেয়া হয় সুবিধাভোগীর উপরে। এছাড়া গোবরসহ বিভিন্ন সামগ্রী দিতে চাপ সৃষ্টি করা হয় সাধারণ মানুষকে। যা সম্পূর্ণ অবৈধ বলে জানান এ প্রকৌশলী। আর এসব বিষয়ে প্রয়োজন সাধারণ মানুষের সচেতনতার।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd