সিলেট | |
প্রকাশিত: ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ১২, ২০২০
বিনোদন প্রতিবেদক :: হিরো আলম শুধু নাটক সিনেমাতে নয় তিনি এখন বিনোদন জগতের আলোচিত নাম। হিরো আলম মার ছক্কা সিনেমা থেকে চিত্র জগতে আলোচিত হন। এরপর থেকে একের পর ধারাবাহিক নাটকে কাজ শুরু করেন তিনি। ‘বাবু খাইছো’ হিরো আলমের একটি গান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক-ইউটিউবে ব্যাপক সাড়া পেয়েছে।
গত জাতীয় নির্বাচনে এমপি প্রার্থী হয়ে দেশবাসী কাছে আলোচনায় আসেন তিনি। তার প্রতিটি কাজই হয় আলোচিত। এর আগে সিনেমাহল খুলতেই মুক্তি পেল ‘সাহসী হিরো আলম’। লম্বা সময় দেশের সিনেমা হল গুলো বন্ধ থাকার সময় হিরো আলম কথা দিয়েছিলেন, সিনেমা হল যখনই চালু হোক, তিনি প্রথমে তাঁর ছবি মুক্তি দেবেন। সে জন্য তিনি করোনা শুরুর পর থেকেই অপেক্ষা করছিলেন কথা রাখার। দীর্ঘ প্রায় সাত মাস পর গত ১৬ অক্টোবর দেশের প্রেক্ষাগৃহ খুলছে। এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে কথা রাখতে বদ্ধপরিকর হিরো আলম। কেউ কোন সিনেমার মুক্তি না দিলেই হিরো আলম কথা রাখতে কখনো পিছপা হবে না। দেশব্যাপী তাঁর ছবি মুক্তি পেয়েছে। দর্শকদের কাছে ভালো সাড়া পেয়েছিলো সাহসী হিরো আলম মুভি। সিলেটের নন্দিতা সিনেমা হলে দর্শক ছিলেন চোঁখে পড়ার মতো।
হিরো আলম কলকাতার অসংখ্য সিনেমা ও সিরিয়ালে তিনি কাজ করেছেন। হিরো আলমের এমন কাজ দেখে সহ্য করতে পারছে এক শ্রেণীর কিছু কু-চক্রী মহল। তারা সর্বদাই হিরো আলমের বিরুদ্ধে একটা কিছু ষড়যন্ত্র করে থাকেন। এই ষড়যন্ত্রের মধ্যে দিয়ে হিরো আলমের বিনোদন অঙ্গনের যাত্রা আরও এগিয়ে চলেছে।
এবার তিনি আরও এক নতুন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন। সেটি হলো ‘বাবু খাইছো’ গান গাওয়ায় হিরো আলমের বিরুদ্ধে মামলা। হিরো আলমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন সোলস ব্যান্ডের সদস্য ও সংগীত পরিচালক মীর মাসুম। আলোচিত ‘বাবু খাইছো’ গানের শিরোনাম, কথা, সুর চুরি ও বিকৃত করার অভিযোগে হিরো আলমের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন তিনি।
হিরো আলম বাদী মীর মাসুমকে উদ্দেশ করে বলেছেন, সে যুবসমাজকে নষ্ট করেছে। সে বাবু ‘খাইছো’র মতো ন্যাকামো গান করে আগে সমালোচনার মুখে পড়েছে। কারণ এই গানে বাবা-মা, ভাই, ছেলে- সবার মধ্যে অনৈতিক সম্পর্ক দেখানোর চেষ্টা করেছে। এ ছাড়া সে আমাকে একটা সংবাদমাধ্যমে ‘জোকার’ বলেছে। সে আমাকে মনে করেছে সহজ-সরল ছেলে। কিন্তু ভাই আমি ওর বিরুদ্ধে মামলা করব। প্রস্তুতি নিচ্ছি।
আশরাফুল আলম বলেন, ওর বাবু খাইছো গানটাকে আমি ব্যঙ্গ করে গেয়েছি। আমি তো শিল্পী না। আমি শখ করে গেয়েছি। আমি তো আর শিল্পীর মতো গাইতে চাইনি, ভাইরাল হতে চাইনি। হিরো আলম বলেন, ওরা যে গানটি ছেড়েছে তা নিয়েই প্রচুর সমালোচনা হয়েছে। ওটা কোনো গানের ক্লাসের মধ্যেই পড়ে না। তার পরেও তারা গানটি করেছে। ‘বাবু খাইছো’ শব্দটা ফেসবুকে প্রচলিত শব্দ। সবাই বলে লেখে। ওরা গানের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছে বলে ওদের হয়ে গেল? সবার আগে আমার কথা হলো, আমি কোনো গায়ক না, আমি শখে গেয়েছি। এতে কারো ক্ষতি হওয়ার কথা না।
মামলার বিষয়ে মীর মাসুম বলেন, আমার সৃষ্টিকে চুরি ও বিকৃত হতে দেখলাম। আবার বিকৃত করে তা দিয়ে অর্থ উপার্জনও করছে হিরো আলম। এটাকে চুরি বলাও ঠিক হবে না; বরং এটি ডাকাতি। আমার সঙ্গে যা ঘটেছে তা যেকোনো শিল্পীর জন্য অপমানজনক। আমি তারই বিচার চাই আইন ও রাষ্ট্রের কাছে। আশা করছি, সুবিচার পাব।
গত ১১ সেপ্টেম্বর ইউটিউবে মুক্তি পায় একক নাটক ‘বাবু খাইছো?’। মুক্তির দুই মাসের মধ্যে নাটকটির ভিউ এক কোটি ছাড়িয়েছে। মূলত এই নাটকের শিরোনাম সংগীত তুমুল আলোচনার জন্ম দেয়। ‘বাবু খাইছো’ শিরোনামের গানটির কথা ও কণ্ঠ দেন মীর মারুফ। এদিকে এই গানের সূত্র ধরে হিরো আলমও একটি গান গেয়েছেন।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd