সিলেট ৩১শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ১১ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৭:২৬ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২২, ২০১৯
স্টাফ রিপোর্টার :: সিলেট সদর উপজেলার এয়ারপোর্ট থানায় অবস্থিত ধুপাগুল গ্রাম। যার সুনাম সারা বাংলায়। সম্প্রতি মাদকের অবাধ ছড়াছড়ি আর বাগান বাড়ি এবং বিভিন্ন কলোনির অসামাজিকতায় কুলোষিত করছে সুনামধন্য এই এলাকা। ধুপাগুল ২০০৪ সালে যোগাযোগের শুব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সময় উপযোগি খালি যায়গা এবং স্থানীয় জনগণের ভালবাসায় গড়ে উঠে পাথর বিক্রয়ের জন্য অন্যতম বিশ্বস্ত এক শিল্প এলাকা।
কিছুদিন আগেও উল্লেখিত এলাকায় যথাযথ শান্তির পাশাপাশি আগত বিপত্তিকর পরিস্থিতিতে প্রশাসনিক ভূমিকার চেয়ে উল্লেখযোগ্য ভুমিকা নিতে দেখা যায় স্থানীয় জনগণ এবং বিভিন্ন সংগঠন-কে। জনগণ এবং প্রশাসনিক প্রচেষ্টার ফলে ভালই চলছিলো এলাকার পরিস্থিতি। কিন্তু বিধি বাম সম্প্রতি সুনামধন্য এলাকার অর্জিত সুনামে ছাই ঢালছে কিছু সংখ্যক লোক। একাধিক অভিযোগের আলোকে জানা যায় ধুপাগুল সহ আশপাশের কিছু গ্রামে অবাধে পাওয়া যাচ্ছে মরণ নেশা মাদক ও নারীর সংস্পর্শ। জানা যায় অত্র এলাকাকে ঘিরে ধুপাগুল, উমদার পাড়া, আটকিয়ারি, কেওয়াছড়া, ধাপনাটিলা, সাহেবের বাজার, ছালিমহল এবং মহালদিক সহ প্রায় এলাকায় অনায়াসেই পাওয়া যাচ্ছে ইয়াবা, গাজা ও চোলাই মধ। এমনকী ধুপাগুল এবং উমদার পাড়ার একাদিক কলোনি সহ ধাপনাটিলার বাগান বাড়িতে উঠতি বয়সের মেয়ে এবং নারীদের দিয়ে মনোরঞ্জন করানো হয় বলে জানায় বিশ্বস্ত একাদিক সূত্র।
সূত্র এবং সরজমিন প্রতিবেদনে উঠেআসে ভয়াবহ রূপ। দেখাযায় দিন মজুর থেকে শুরু করে ড্রাইভার, হেল্পার, সাইট ম্যানেজার এমনকি কিছু সংখ্যক ব্যাবসায়ীরাও এদের নিয়মিত খদ্দের। নাম বলতে অনিচ্ছুক এক সংগঠক বলেন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা আমিও শুনছি এতে জনমুখে প্রতিবাদের গোপন জোয়ার থাকলেও আইনি জটিলতা এবং সম্পৃক্ত প্রভাবশালীদের ভাই বাতিজার ভয়ে মুখ খোলতে নারাজ অনেক সংগঠন। কিন্তু জানিনা কেনো যে নিরব ভূমিকায় প্রশাসন?
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd