জামালগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারীর বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

প্রকাশিত: ৬:৪০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৪, ২০১৯

জামালগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারীর বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

Manual1 Ad Code

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রধান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক হীরক রঞ্জন গোস্বামীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন টেÐার ও হাসপাতালের মালামাল ক্রয়ে অনিয়ম ও দূর্নীতির লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। মনোহারী ও বিবিধ মালামাল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী জসিম উদ্দিন গত ৯জানুয়ারী জেলা প্রশাসক বরাবরে হীরক রঞ্জন গোশ্বামীর অনিয়ম ও দূর্নিতীর তথ্য তুলে ধরে লিখিত আবেদন করেন। আবেদন ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালের টেন্ডার বাণিজ্য, পথ্য সরবরাহ, মনোহারী ও বিবিধ মালামাল সরবরাহ ও কাপড় ধোয়ার (২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের) টেন্ডার নিয়ে নানান ছলচাতুরী করেছেন। ২০১৭-’১৮ অর্থ বছরে বিল নং-৩০৯ থেকে ৩০১৩ ও ৩২৪, ৩২৭,৩২৮, ৩২৯,৩৩৪, ৩৩৫, ৩৩৬, ৩৩৭, ৩৩৮, ৩৩৯ এর মাধ্যমে ভাউচার তৈরী করে মোটা অংকের টাকা আত্মসাত করেছেন বলে উল্লেখ রয়েছে।

Manual2 Ad Code

সিডিউলে দেখাযায় উপজেলা স্বাস্থ্য প:পা: কর্মকর্তা ডা: মনিসর চৌধুরী ২৪.১০.২০১৮ ইং তারিখে সিডিউল ও শর্তবলীর মধ্যে স্বাক্ষর করেন। কিন্তু সিডিউল ক্রয়কারী টিকাদারদের নিকট সরবরাহ করার সময় হীরক রঞ্জন গোস্বামী ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের স্থলে নিজ হাতে অপারেটিং করে ২০১৭-২০১৮ লিখে টিকাদার কে প্রদান করেন। এর উদ্যেশ্য কি তা নিয়ে টিকাদার দের মাঝে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ৩০.১০.২০১৮ তারিখে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক প্রশাসন বারাবরে মেসার্স নিহাব এন্টারপ্রাউজ এর প্রো: দিলোয়ার হোসেন হীরক রঞ্জন গোস্বামীকে দায়ী করে লিখিত অভিযোগ প্রেরণ করেন। তার লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, বিগত ২৯.১০.২০১৮ তারিখে অনুষ্ঠিত টেহুা বিজ্ঞপ্তিতে মনোহারী ও বিবিধ মালামল সর্বরাহে দরপত্র দাখিল করেন। টেহুার প্রকাশের পর তিনি দেখতে পান ইতি লÐি প্রো: ঝান্টু বৈদ্য সর্ব নি¤œ দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত হন।

খুজ নিয়ে জানা যায়, হীরক রঞ্জন গোস্বামী মনোহারী ও বিবিধ মালামাল সরবরাহ সিডিউলে নিজ হাতে পূণে করে দরপত্রটি দাখিল করে সর্ব নি¤œ দরদাতা নির্বাচিত হন। প্রশ্ন জাগে নিজ হাতে লিখে তিনি মোটা অংকের উৎকোচ অথবা নিজেই অবৈধ ভাবে মালামাল ক্রয়করে সম্পূর্ণ টাকা আত্ম সাতের অভিযোগ উঠেছে। ২০১৭-২০১৮ ইং তারিখের টেন্ডাটি অক্টোবর ২০১৮ এর ২৯ তারিখ সম্পন্ন করেন। কিন্ত টেন্ডার সিডিউলটি লক্ষ করলে দেখা যায় নিজ হাতে অপারেটিং করে তাকে ২০১৮/১৯কে ২০১৭/১৮ করা হয়। টেন্ডার বাতিলের জন্য পথ্য টিকাদার ও কাপড় ধোয়ার টিকাদারের নিকট থেকে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে এধরণের অনিয়ম করা হয়েছে। বিষয়টি টেন্ডাটি অবহিত নন। মনোহারী ও বিবিধ মালামাল সরবরাহ সিডিউলে দেখা যায় ক্রমিক নং-৩, ৪, ১২, ১৪, ১৫,২২, ২৩, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৯, ৩২, ৩৩, ৩৫, ৩৬ এই ১৬ টি মালামালে কোন কম্পানীর মালামাল হবে তা উল্লেখ নেই।

Manual4 Ad Code

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত হীরক রঞ্জন গোস্বামী বলেন,আমার বিরুদ্ধে অন্যায় ভাবে এসব করা হচ্ছে। টেÐার অভারাইটিং করা হয় নি। অন্যান্য অভিযোগের উত্তর না দিয়ে পাশ কাটিয়ে যান।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও প: প: কর্মকর্তা ডা: মনিসর চৌধুরী বলেন,টেÐারের বিষয়ে পত্রিকায় যা প্রকাশ হয়েছে এটাই সত্য। যদি তারিখ অভারাইটিং কারে পরিবর্তন করা হয় বা সকল অভিযোগের যাচাই বাচাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

Manual8 Ad Code

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..