সিলেট ১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৯শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ২:২৭ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১০, ২০২৩
নিজস্ব সংবাদদাতা: সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে বিএনপি-জামায়াতের ডাকা তৃতীয় দফায় ৪৮ ঘণ্টার অবরোধের দ্বিতীয় দিনে সিলেটের জীবনযাত্রা প্রায় স্বাভাবিক রয়েছিলো। অবরোধের কোনো প্রভাব পড়েনি সিলেট নগরীতে। যান ও জনচলাচল সকাল থেকে স্বাভাবিক ছিলো। তবে বিএনপি ও জামায়াতের ঘুটি কয়েক নেতাকর্মীরা দুয়েক জায়গায় মিনিট দশেকের জন্য মিছিল ও পিকেটিং করেছিলেন।
দেখা গেছে- গতকাল বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) ৪৮ ঘণ্টার অবরোধের দ্বিতীয় দিন শুরু হয় সিলেটে মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচলের মধ্য দিয়ে। ভোর থেকে সকাল হতেই যান চলাচলও বেড়ে যায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে শুরু করে নগরীতে নিত্যদিনের যানজট। সড়ক-মহাসড়কে বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরণের গণ পরিবহণ চলাচল করছিলো। নগরজুড়ে সিএনজি অটোরিকশার আধিক্য দেখা গিয়েছে।
শ্রমিক সংগঠনের নেতারা বলেন- সড়কগুলোয় যানবাহন চলাচল আগের মতোই স্বাভাবিক রয়েছে। কদমতলী ও কুমারগাঁও বাস টার্মিনালে যাত্রী সংখ্যা কিছুটা কম থাকলেও বাস এসে প্রবেশ করছে এবং যথারীতি ছেড়েও যাচ্ছে।
এদিকে, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ ষ্টেশন রোড, বন্দরবাজার, সুরমা মার্কেট পয়েন্ট, জিন্দাবাজার পয়েন্ট, চৌহাট্টা, আম্বরখানা, মদীনা মার্কেট, টিলাগড়, দক্ষিণ সুরমার হুমায়ূন রশিদ চত্বর এলাকায় যানজট লেগে থাকতে দেখা গিয়েছে। বিপনী বিতান, অফিস আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যথারীতি খোলা রয়েছিলো।
অবরোধকারীদের বিশৃঙ্খলা ও যেকোনো ধরণের তৎপরতা ঠেকাতে সতর্কাবস্থায় রয়েছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে ও নগরের বিভিন্ন পয়েন্টে র্যাব, পুলিশ, বিজিবি সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গিয়েছে।
এদিকে, গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বিএনপির নেতা কর্মীরা সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে আগুন ধরিয়ে অবরোধ করেছেন বলে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কুহিনুর আহমদ তার ফেইসবুকে ১মিনিট ৪৫ সেকেন্টের একটি ভিডিও আপলোড করেন।
তবে দক্ষিণ সুরমা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা পিপিএম বিষয়টি অস্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান- ‘কোথাকার কোন ভিডিও এনে আপলোড করেছেন কে জানে, আমাদের থানা এলাকায় এরকম কোন ঘটনা ঘটেনি। সব ক্লিয়ার আছে’।
উল্লেখ্য, গত ২৮ অক্টোবর ঢাকায় মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে মাঝ পথেই পণ্ড হয় যায় বিএনপির সমাবেশ। সমাবেশ বানচালের প্রতিবাদে পরের দিন (২৯ অক্টোবর) সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা বিএনপি হরতাল পালন করে। একদিন বিরতি দিয়ে ৩১ অক্টোবর থেকে টানা তিন দিনের অবরোধ কর্মসূচি দেওয়া হয়।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd