সিলেট ৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৯শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ১:১৮ পূর্বাহ্ণ, মে ২০, ২০২০
গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি :: সিলেটের গোয়াইনঘাটে মরণব্যাধি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ও সংক্রমণ ঝুকি মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি থাকা সত্ত্বেও হাট বাজার সমূহ মানুষজনের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে। বিশেষ করে উপজেলা সদরের এবং বিভিন্ন বড় বড় হাট বাজারের বিপণি বিতানগুলোর চিত্র দেখলে মনে হয় যেন সবকিছুই স্বাভাবিক হয়ে গেছে।
বিপণিবিতান সমূহসহ কোন দোকানেই মানা হয়না সামাজিক দূরত্ব। উপজেলা-সদরের সড়ক সমূহের উপর দিয়ে একাধিক কিংবা অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে চলছে ছোট ছোট যানবাহন। কে শুনে কার কথা,প্রশাসন কর্মকর্তা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি কিংবা অভিযান চলাকালে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি কিছুটা হ্রাস পেলেও তাদের ঘটনাস্থল ত্যাগের পর পরই শুরু মানুষের আনাগোনা, জনসমাগম। গাদাগাদি করে বিপণি বিতানগুলোতে চলছে পোষাক বিক্রি।
প্রতিদিন সকাল ১০ টা হতেই শুরু হয় মানুষের উপচেপড়া আনাগোনা। দোকানপাঠ, রাস্তাঘাট ছিলো লোকে লোকারণ্য। বিশেষ করে উপজেলার সদর গোয়াইনঘাটের সবকটি বিপনী বিতানগুলোতে নারী,শিশুদের উপস্হিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। একটি বিপনী বিতানেও নেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কোন উদ্যোগ। দোকানি ক্রেতা, সবাই মহাব্যস্হ্য। গাদাগাদি করে কিনছেন ঈদের পোষাক। চোখে পড়ে কাষ্টমারদের সরব উপস্হিতিতে খুশিতে আত্মহারা বিক্রেতারা। তাদের মনোভাবে বুঝা যায় যেন বহুকাল পর জেলখানার বন্দি জীবন থেকে মুক্তি পেয়েছেন তারা। কারো হৃদয়ে নেই চিকিৎসাহীন করোনা সংক্রমিত হওয়ার ভয়।
এ ব্যাপারে কথা হলে গোয়াইনঘাটের উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোঃ নাজমুস সাকিব বলেন, গোয়াইনঘাটের সবকটি হাট-বাজারে দোকানপাটে সরকারি বিধি নিষেধ এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ নির্দেশনা মেনে দোকানপাট চালু রাখার নির্দেশনা থাকলেও বিষয়টি প্রায় সকলে এড়িয়ে যাচ্ছেন। অচিরেই আমরা ব্যবস্হা নিচ্ছি।
সিলেট বিভাগের মোট ৪৫৪ জনের করোনা শনাক্ত হলো। এর মধ্যে শুধু সিলেট জেলায় করোনাভাইরাইসে আক্রান্ত ১৮৬ জন। দেশে প্রথম করো্না আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হন গত ৮ মার্চ। আর সিলেটে প্রথম শনাক্ত হন ৫ এপ্রিল।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd