সিলেট ৩১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৩ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৯:৫৬ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২০, ২০২০
ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : হবিগঞ্জের জেলা পাসপোর্ট অফিস দালালের আখড়ায় পরিণত হয়েছে । এনালগ থেকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে এখন পাসপোর্ট প্রদান করা হলেও দালালদের উৎপাত কমেনি। প্রকাশ্যে হউক আর অপ্রকাশ্যেই হউক প্রায় সবরকমভাবেই একশ্রেণির দালাল এখানে দালালি করে থাকে। আর নেপথ্যে রয়েছে ওই অফিসেরই একশ্রেণির অসাধু কর্মচারি ও কর্মকর্তাগণ। তাদের যোগসাজশে এই দালালরা গ্রামগঞ্জ থেকে আসা মানুষজনকে বেকাদায় ফেলে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে।
সম্প্রতি এ বিষয়টি জেলা প্রশাসকের নজরে এলে গতকাল রবিবার দুপুরে সহকারি কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীমের নেতৃত্বে পাসপোর্ট অফিসে অভিযান চালানো হয়। এ সময় আবুল হোসেন (৪০) ও মোঃ মুখলেস মিয়া (২২) নামে দুই দালালকে আটক করা হয়। তাৎক্ষনিকই ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে তাদেরকে ১ মাসের কারাদ- প্রদান করা হয়।
অনুসন্ধানে জানা যায়, দালালরা ডাক্তার ও প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তার ভূয়া স্বাক্ষর দিয়ে জাল সীল তৈরি করে পাসপোর্ট করতে আসা লোকজনের কাগজপত্র সত্যায়িত করে দেয়। আর বিনিময়ে তাদেরকে দিতে হয় ৫শ থেকে হাজার টাকা। পাসপোর্ট করতে আসা ভুক্তভোগীরা জানান, বাহির থেকে কাগজপত্র সত্যায়িত করে আনলে তারা ভুলত্রুটি ধরে কাগজপত্র জমা নেন না। এতে তারা ভোগান্তিতে পড়েন। এক প্রকার বাধ্য হয়েই দালালদের স্বরণাপন্ন হতে হয়। তাছাড়া পাসপোর্ট করতে সরকারি ফি ৩৪৫০ টাকা হলেও ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে তাদেরকে।
অবশিষ্ট টাকা চলে যায় পুলিশ ভেরিফেকিশনের নামে তদন্তকারি কর্মকর্তাদের পকেটে। এ বিষয়ে পাসপোর্ট অফিসের সহকারি পরিচালক মধু সূদন সরকার দালাল আটকের সত্যতা শিকার বলেন, তার অফিসের সামন থেকে তাদের আটক করা হয়। তার জানামতে আগের চেয়ে দালাল কমেছে। যে কজন আছে তাদেরকে বের করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। যদি অফিসের কেউ জড়িত থাকে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd