সিলেট ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১লা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৬:১৮ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৯
ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শামীমা বেগমের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিল করেছে যুক্তরাজ্য। মঙ্গলবার পূর্ব লন্ডনে বসবাসরত শামীমার মায়ের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভেদ।
শামীমার আইনজীবী তাসনিম আখঞ্জি গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। শামীমা হোম অফিসের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন বলেও চিঠিতে জানানো হয়।
অন্যতম শীর্ষ ব্রিটিশ নিউজ চ্যানেল আইটিভি তাদের অনলাইন সংস্করণে শামীমার মায়ের কাছে লেখা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠিটি প্রকাশ করেছে।
চিঠিতে শামীমার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত জানিয়ে বলা হয়, আপনার মেয়ের সর্বশেষ অবস্থা পর্যালাচনা করে তার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হোম সেক্রেটারি। চিঠির সাথে সংযুক্ত ডকুমেন্টটি এ বিষয়ক। সিরিয়া রিফিউজি ক্যাম্পে অবস্থানরত শামিমাকে এ তথ্য জানানোর পরামর্শও দেওয়া হয়।
চিঠির বিষয়টি উল্লেখ করে শামিমার আইনজীবী তাসনিম আখঞ্জি এক টুইট বার্তায় বলেন, তারা সরকারের এই সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট। এ সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য তারা সব ধরণের আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাবেন।
এর আগে, গত রোববার শামীমার পরিবারের আইনজীবী মোহাম্মদ তাসনিম আখুঞ্জি জানান, তারা জানতে পেরেছেন সিরিয়ায় শামীমা একটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এবং শিশুটি সুস্থ আছে।
২০১৫ সালে বেথনাল গ্রিন একাডেমির নবম শ্রেণির ছাত্র শামীমা ও তার সহপাঠী আরেক ব্রিটিশ-বাংলাদেশি খাদিজা সুলতানাসহ তিন তরুণী আইএসে যোগ দিতে সিরিয়ায় পাড়ি জমান। আইএস ঘাঁটিতে ধর্মান্তরিত এক ডাচকে বিয়ে করা শামিমা এখন নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
এর আগে তার দুটি সন্তান হলেও তারা মারা গেছে। সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে আশ্রয় পাওয়া শামিমা এখন তার অনাগত সন্তানকে বাঁচাতে চান। আর এর জন্যই তিনি ফিরতে চান লন্ডনে।
সোমবার বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শামিমা জানিয়েছেন, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হলেও তিনি কখনো বাংলাদেশে যাননি। এমনকি তার বাংলাদেশি পাসপোর্টও নেই।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘সাম্প্রতিক দিনগুলিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুস্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে তার কাছে ব্রিটেন ও এই দেশে যারা বাস করে তাদের নিরাপত্তাই তার কাছে অগ্রগণ্য।’
শামিমার নাগরিকত্ব প্রত্যাহারের বিষয়টি উল্লেখ না করলেও তিনি বলেন, নাগরিকত্ব প্রত্যাহারের বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়া হয় না এবং সব ধরণের প্রাপ্ত প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd