গোয়াইনঘাটে উপজেলা নির্বাচনে একই গ্রামের তিন চেয়ারম্যান প্রার্থী

প্রকাশিত: ৪:১৪ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০১৯

গোয়াইনঘাটে উপজেলা নির্বাচনে একই গ্রামের তিন চেয়ারম্যান প্রার্থী

Manual3 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার :: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইমেজ শেয হতে না হতেই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে দেশের অন্যতম বৃহৎ দু,টি রাজনৈতিক দল বিএনপি ও আওয়ামীলীগ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। প্রাকৃতিক সম্পদের গর্ভধারিনী গোয়াইনঘাট উপজেলাটি দেশের অন্যতম বৃহৎ একটি উপজেলা। নানা দিক দিয়ে এ উপজেলাটির গুরুত্ব রয়েছে। প্রাকৃতিক কন্যা জাফলং,সোয়াম ফরেষ্ট রাতারগুল,বিছনাকান্দি,পান্তুমাই ঝর্না,মায়াবতী ঝর্না ও মায়াবনসহ বেশ কয়েকটি পর্যটন কেন্দ্র এ উপজেলায় অবস্থিত। এ ছাড়া দেশের অন্যতম বৃহৎ পাথর কোয়ারি জাফলং ও বিছনাকান্দি এখানে বিদ্যমান। ৯ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৭৯ হাজার। দেশের প্রাচীনতম এ উপজেলার মানুষ সহজ,সরল ও ধর্মীয় মূল্যবোধ সম্পন্ন। ৪৮৭.৭৩ কিলোমিটার আয়তনের বিশাল উপজেলাটির দক্ষিণে সিলেট সদর,উওরে ভারতের মেঘালয়,পূর্বদিকে জৈন্তাপুর উপজেলা ও পশ্চিমে কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা অবস্থিত। ১৯৮৫ সালে গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদের ১ম উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আলহাজ্ব ছয়ফুল আলম (বিএ)।১৯৯১ সালে গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন দিলদার হোসেন সেলিম এবং বিলুপ্তির পূর্ব পর্যন্ত ১৫ মাস তিনি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ ও ২০১৪ সালে টানা দুই মেয়াদে আব্দুল হাকিম চৌধুরী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জয়লাভ করে দায়িত্ব পালন করছেন। পর্যটন এলাকা ও প্রাকৃতিক সম্পদের গর্ভধারীনি হিসেবে দেশবিদেশ পরিচিতি এ উপজেলার কান্ডারী হতেচান দেশের প্রধান দূ,টি দল আ’লীগ ও বিএনপির প্রায় হাফ ডজন নেতা। উভয় দলের দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার জন্য ৩/৪বছর পূর্ব থেকে নানা ভাবে উপজেলার মানুষের কাছে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরার চেষ্টা চালাচ্ছেন। উপজেলার প্রধান প্রধান হাট বাজারসহ অলীতে গলীতে রাস্তায় নিজের ছবি ও দলীয় পরিচয় দিয়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাধ্যমে ফেস্টুন,ব্যনার ও পোস্টারিং করিয়েছন। এছাড়া কেউ কেউ নিজেকে দলীয় শক্ত প্রার্থী বোঝানোর জন্য সদ্যসমাপ্ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কটোর পরিশ্রম ও আর্থিক ব্যায় করেছেন। নিজ দলীয় প্রার্থীর সাথে তিন উপজেলা চষে বেড়িয়েছেন।

Manual5 Ad Code

সমাগত উপজেলা পরিষদ ২০১৯ সালে নির্বাচনে একই গ্রামের নিত প্রার্থী পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের অন্তর্গত সুলতানপুর গ্রামের স্থায়ী তিন বাসিন্দা ফারুক আহমদ, আবু সুবিয়ান পান্না ও সুলতান আহমদ শাহিন তারা তিনজনই উপজেলা চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান। ওই তিনজনের মধ্যে ফারুক আহমদ তিনি বিগত উপজেলা নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক ফারুক আহমদ ২০০৯ সালে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আব্দুল হাকিম চৌধুরীর সাথে ১৯৬০ ভোটের ব্যাবধানে পরাজিত করেন। এছাড়া ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ষতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে বর্তমান প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্হান প্রতিমন্ত্রী সিলেট -৪ আসনের সংসদ সদস্য ইমরান আহমদের সাথে তুমুল প্রতিদন্ধিতা করেন। ফারুক আহমদ আবারও উপজেলা নির্বাচনে অংশ গ্রহন করবেন এবং আওয়ামীলীগের মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করবেন বলে জানা গেছে ।

Manual5 Ad Code

এদিকে, সুলতানপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা বাংলাদেশ আওয়ামী তরুণ লীগ সিলেট জেলা শাখার সাবেক সভাপতি ও জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি সুফিয়ান আহমদ পান্না তিনি আওয়ামীলীগের মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন চান বলে ক্রাইম সিলেটকে জানিয়েছেন। সুফিয়ান আহমদ পান্নাকে নিয়ে স্থানীয় এলাকার হাট বাজারে চলছে আলোচনা এবং যুব সমাজের কাছে তিনি একজন জনপ্রিয় নেতা। তরুণ সমাজের আশা পূরনে তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান পদে লড়বেন।

Manual2 Ad Code

অপর জন হলেন সুলতানপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা সুলতান আহমদ শাহিন তিনি বিএনপির হয়ে নির্বাচন করবেন বলে ক্রাইম সিলেটকে জানিয়েছেন। শাহিন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাহার নিজ কেন্দ্র মনাইকান্দি মাদ্রসা সেন্টারে তিনি বিএনপির নির্বাচনী এজেন্ট ছিলেন এবং ওই কেন্দ্রে সাহসী ভূমিকা পালন করেন। আগামী উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন চাইবেন।
এই তিন নেতা হচ্ছেন উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের একে অপরের পাশাপাশি বাড়ি তাদের প্রার্থীতা নিয়ে স্থানীয় মনরতল বাজারের চায়ের স্টল গুলাতে নিয়মিত চলছে আলোচনা।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..