কোম্পানীগঞ্জে ইজারাদারদের বিচার চেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবরে কৃষকদের আবেদন

প্রকাশিত: ১১:৩৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১১, ২০১৯

কোম্পানীগঞ্জে ইজারাদারদের বিচার চেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবরে কৃষকদের আবেদন

Manual3 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার :: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে শীলাকুড়ি জলমহাল প্রতিবছর সরকারিভাবে ইজারা দেয়া হয়। অসময়ে জলমহাল সেচ করে মাছ বিক্রি করায় ওই এলাকার বোরো ধানের বিশাল ক্ষয়ক্ষতি হয়। এমন অভিযোগ এনে গত ২৮ আগস্ট সিলেট জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করেছিলেন কৃষক নাজির আলী।

Manual2 Ad Code

অভিযোগে ইজারাদার বিলাজুর গ্রামের মানিক বিশ্বাসকে অভিযুক্ত করা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মানিক বিশ্বাস প্রভাবশালী এক ব্যক্তির কাছে রাংছার বিলটি (দাগ নং- ৩১৬, জে.এল.নং-০২) বিক্রি করে দেয়। প্রভাবশালী ব্যক্তিদ্বয় ও ইজারাদার মানিক বিশ্বাসের যোগসাজসে এ বছরের অগ্রহায়ন মাসের পনের তারিখ পাম্প মেশিন দিয়ে বিল শুকিয়ে মাছ বিক্রি করা হয়। যার কারণে- ওই রাংছার বিলের চতুর্পাশে বোরো ফসলের বিরাট ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। কৃষকদের ক্ষতিগ্রস্থ থেকে উত্তোরণ করতে ও ইজাদারদের প্রতিহিংসামূলক কর্মকান্ডের বিচার চেয়ে কৃষকদের পক্ষ থেকে উপজেলার ৩নং তেলিখাল ইউনিয়নের কোম্পানীগঞ্জ গ্রামের মৃত উছমান আলীর পুত্র নাজির আলী গত ৮ জানুয়ারি মঙ্গলবার সিলেট জেলা প্রশাসক বরাবরে আরেকটি আবেদন করেন। যার ডকেট নং- ৭৬।

Manual7 Ad Code

জানা যায়, কোম্পানীগঞ্জের শীলাকুড়ি জলমহালের আশপাশে শত শত কৃষকরা বোরো চাষ করেন। প্রতি বছর তাদের ফলনকৃত ধানের মাধ্যমে কৃষকরা আর্থিক স্বচ্ছলতা পান। পাশাপাশি দেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেন। কিন্তু গত বছর থেকে শীলাকুড়ি জলমহাল ইজারা দেয়ায় ও অসময়ে পানি সেচ দিয়ে মাছ ধরায় ওই এলাকার কৃষকরা বোরো আবাদ করতে পারছেন না। কেউ কেউ আবাদ করলেও পানির অভাবে তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। টানা দুই বছর কৃষকের ধান নষ্ট হওয়ায় গরীব কৃষকরা হতাশায় নিমজ্জিত আছেন। সরকারের ব্যাংক লোনের টাকা, ঋণ করা টাকা দিয়ে ওই এলাকার কৃষকরা ফসলি জমি আবাদ করে। তাই টানা দু’বছর ধান না হওয়ায় গরীব কৃষকরা ঋণ ও ব্যাংক লোনের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছেন। যেখানে পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকা কষ্টকর সেখানে তারা ব্যাংক লোন কিভাবে শোধ করবে।

Manual2 Ad Code

তাই কৃষকদের ক্ষতিগ্রস্থ থেকে উত্তোরণ করতে ও আগামীতে জলমহাল ইজারাদারদের হাত থেকে কৃষকদের বাঁচাতে সিলেট জেলা প্রশাসক বরাবরে এ আবেদন করেন নাজির আলী। আবেদনের অনুলিপি সিলেট পুলিশ সুপার, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্র্বাহী অফিসার ও ওসি বরাবরেও প্রেরণ করা হয়।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..