সিলেট ১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৫শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৪:৫৯ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৭, ২০১৭
ক্রাইম ডেস্ক : নিজের মেয়েকে দিয়েই অন্য মেয়েদের ফাঁদে ফেলতেন এক ব্যক্তি। মেয়ের সঙ্গে অন্য মেয়েদের বান্ধবী পাতিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসতেন। তারপর তাদের ধর্ষণ করা হতো। ধর্ষণের সময় করা ভিডিওগুলো প্রকাশের হুমকি দিয়ে ওই মেয়েদের করা হতো ব্ল্যাকমেইল।
ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের যমুনানগর এলাকার এক বাবা-মেয়ের বিরুদ্ধে এমনই রমরমা ব্যবসা খুলে বসার অভিযোগ উঠেছে। তবে শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন তাঁরা।
সংবাদমাধ্যম টাইমস নাওয়ের খবরে বলা হয়, ধর্ষণের ভিডিও ধারণের পর ব্ল্যাকমেইল করা হতো ওই নারীদের। কারো কাছে চাওয়া হতো অর্থ। অনেককেই বাধ্য করা হতো পতিতাবৃত্তিতে।
তবে সম্প্রতি ব্ল্যাকমেইলের অর্থ দিতে বেঁকে বসেন বাবা-মেয়ের অপকর্মের শিকার এক নারী। অর্থ চাইতেই সরাসরি পুলিশের কাছে যান তিনি। তাঁর অভিযোগের জের ধরে গ্রেপ্তার করা হয় দুজনকে।
পুলিশকে ওই নারী জানান, ওই বাবা ও মেয়ে প্রথমে বিভিন্ন নারীর সম্পর্কে বিস্তারিত ঘেঁটে দেখেন। ধনী-গরিব সবাইকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করেন তাঁরা। কোনো নারী তাঁদের পাতা জালে পড়লেই প্রথমে ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে পতিতাবৃত্তির জন্য জোর করা হয়। তাতে রাজি না হলে চাওয়া হয় অর্থ।
ওই নারী আরো জানান, তাঁকে খাবারের সঙ্গে নেশাদ্রব্য মিশিয়ে অচেতন করা হয়। তারপর তাঁকে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করা হয়। বিষয়টি জানতে পেয়ে প্রথমে ভয় পেয়ে যান তিনি। বাবা-মেয়ের কথামতো পরিশোধ করেন ১০ হাজার রুপি। কিন্তু পরে আবার অর্থ চাওয়া হয়। তখনই পুলিশের শরণাপন্ন হন তিনি।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd