সিলেট ২৬শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ১১:০৯ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২০, ২০২৪
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের ছাতকে পূর্ব বিরোধের জের ধরে ডুবায় বিষ ফেলে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষয় ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলার চাইরচিরা গ্রামের মৃত. ইসলাম খাঁর ছেলে জাফর খাঁ বাদী হয়ে দোয়ারাবাজার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
এতে বাউসা গ্রামের মৃত ফজর আলীর ছেলে মো. তাজ উদ্দিন, কেশবপুর গ্রামের আবাদ মিয়ার ছেলে মো. হিরন মিয়া, বাউসা গ্রামের মৃত. ছালিম উল্লার ছেলে দৌলত মিয়া, চাউরাচিরাা গ্রামের মৃত আরজ আলীর ছেলে আকিল মিয়া, রনমঙ্গল গ্রামের মৃত. রহিদ মিয়ার ছেলে আছদ মিয়া, বাউসা গ্রামের কাবিল মিয়ার ছেলে ইকবাল হোসে কে অভিযুক্ত করা হয়।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, মো. তাজ উদ্দিন গংদের সাথে জাফর খাঁর মামলা মোকদ্দমা ও বিরোধ চলমান রয়েছে। আনুমানিক ১২-১৩ বছর যাবৎ দোয়ারাবাজার উপজেলার বেরি এলাকায় জাফর খাঁর মোরসী ৭০ শতাংশ জমিতে ডুবা দিয়ে মাছ ধরে আসছেন। গত ১৭ জানুয়ারী দুপুর আনুমানিক ১২ ঘটিকার সময় জাফর খাঁ মাছ ধরার জালসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি নিয়ে ঐ ডুবায় মাছ ধরতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন বাঁধা প্রদান করেন। উক্ত বিষয়ে সালিশের আয়োজন করা হলে বিবাদী প্রতিপক্ষরা বিচার সালিশ কিছুই মানেননা। গত ১৯ জানুয়ারী দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ ঘটিকার সময় ডুবার পাশে মাছ ধরার সরঞ্জামাদি পাহারা দেওয়ার সময় প্রতিপক্ষের লোকজন হাতে রামদা, চাকু, লোহার রড, ও লাঠিসোঠা নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন ও ডুবায় বিষ ঢেলে জাফর খাঁ গংদের মারপিট করার জন্য আক্রমন করেন। তখন জাফর খাঁ প্রাণ রক্ষায় দৌড়িয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরে সকাল বেলা জাফর খাঁ ডুবায় গিয়ে দেখেন প্রতিপক্ষের লোকজন কতৃক ডুবায় বিষ প্রয়োগের ফলে ডুবায় থাকা বোয়াল, টেংরা, মাগুড় সহ আনুমানিক ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মুল্যের মাছ মরে ক্ষতি সাধন হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী জাফর খাঁ বলেন, অভিযোগ দায়েরের সত্যতা স্বীকার করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত দৌলত মিয়া তার উপর আনিত অভিযোগ অস্বীকার বলেন তাদেও সাথে পূর্ব বিরোধ রয়েছে। এটা সম্পুর্ন মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র।
এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বদরুল হাসান অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd