সিলেট ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৩রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৪:৪০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৫, ২০২০
বাবর হোসেন : সিলেটে পুলিশ হেফাজতে রায়হান নামের স্বাস্থ্য কর্মীর হত্যাকান্ডের ঘটনায় নতুন করে আরেকটি প্রশ্ন দেখা দিয়েছে অপরাধ বিশেষজ্ঞদের মনে।আর সেই প্রশ্নটি হচ্চে, এস এম পি,র কর্মকর্তারা কি সবাই আইন বিষয়ে অনভিজ্ঞ কিংবা ইচ্ছে করেই আইন না জানার ভান করেছেন।
পুলিশ হেফাজতে কারো মৃত্যু হলে, মৃতদেহের সুরতহাল এবং ময়না তদন্ত করতে হয় একজন ম্যাজিষ্টেটের উপস্থিতিতে কিন্তু রায়হানের মৃত্যুর পর তার মৃতদেহের সুরতহাল এবং ময়না তদন্ত করা হয়েছিলো ম্যাজিষ্টেটের অনুপস্থিতিতে। রায়হান হত্যা মামলা সিলেট কোতয়ালী মডেল থানায় রেকর্ড করা হয়েছিলো এস এম পি,র উওর জোনের উপ পুলিশ কমিশনার আজবাহার আলী শেখ এর স্বাক্ষরিত বিশেষ নিদের্শ নামার কারনে (মামলা নং ২০(১০)স্বারকং ৩৩৫৭তাং ১২-১০-২০) এ ক্ষেত্রে প্রশ্ন দেখা দেয়, জোনের ডিসির বিশেষ নিদের্শনামার ভিওিতে নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্য নিবারন আইনের ধারায় মামলাটি রুজু হবার পরও মৃতদেহের সুরতহাল ও ময়না তদন্ত নিয়ম মেনে করা হলো না কেনো ? তাহলে কি উপ পুলিশ কমিশনার আজবাহার আলী শেখ , সহকারী কমিশনার নির্মল চক্রবর্তী, কোতয়ালীর ভারপ্রাপ্ত ওসি সৌমেন মৈত্র উক্ত আইন ও নিয়মের ব্যাপারে অনভিজ্ঞ। নাকী ইচ্চে করেই নিজেদের দায়ীত্বহীনতাকে আড়াল করতে চেয়েছিলেন? বিষয়টি নিয়ে অপরাধ বিশেষজ্ঞদের আরো প্রশ্ন থেকে যায়, মৃত রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নীর দেয়া মামলার এজাহার পাবার পর জোনের ডিসি অফিসে যখন বিশেষ নিদের্শ নামাটি তৈরী করা হয় তখন কি বিষয়টি নিয়ে ডিসি আজবাহার আলী শেখ,এস এম পি,র অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ)কিংবা পুলিশ কমিশনারের সাথে বিষয়টি নিয়ে মনিটরিং করেন,নি ? মনিটরিং অথবা পরবর্তী করনীয় সম্পর্কে নিদের্শনা দেয়ার সময় পুলিশ কমিশনার কিংবা অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) মৃতদেহের সুরতহাল এবং ময়না তদন্ত কিভাবে করাতে হবে সেই বিষয়টি যদি বিধিসম্মত ভাবে অনুপস্থিত থাকে,তবে কি ধরে নিতে হবে এস এম পি,র সকল কর্মকর্তাই পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর পর মৃতদেহের সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের বিধান সম্পর্কে অনভিজ্ঞ ?
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd