সিলেট ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৩রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ১২:১২ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৮, ২০২০
গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি :: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং তামাবিল সংগ্রাম সীমান্ত এলাকার মানুষের মাঝে বাড়ছে চোরাচালানের প্রবণতা, নতুন নতুন কৌশলে চলছে চোরাচালান। টাকার লোভ আর বেকারত্বের হার বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই ঝুঁকছেন চোরাকারবারে। স্থানীয়রা বলেন পূর্বে যদিও নির্দিষ্ট একটি চক্র এই ধরনের চোরাকারবার মূলক গর্হিত কাজে জড়িত ছিল বর্তমানে বেকারত্ব বেড়ে যাওয়ায় অনেক দিনমজুর সাধারণ মানুষ ও কিশোররা এই পথ বেছে নিয়েছে। যদিও জেলা পুলিশের দাবি, সীমান্তে অপরাধ ঠেকাতে কাজ করছে বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও টুরিস্ট পুলিশ।
দুদেশের সীমান্তরক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে উপজেলার বেশ কয়েকটি পথে আসে মরণ নেশা মাদক, টেন্ডু পাতার নাছির বিড়ি, গরুসহ বিভিন্ন নিন্মমানের পণ্য। যে কাজে রয়েছে ব্যাপক ঝুঁকি। আর এতে জড়িত সীমান্ত গ্রামগুলোর অনেকেই।এ পথে রয়েছে অনেক ঝুঁকি, ঝুঁকি জেনেও বেশির ভাগ লোক এ পথ বেছে নিয়েছে, বেকারত্বের কবলে পড়ে।
সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, সুযোগ পেলেই চোরাকারবারি অপরাধীরা তৎপর হয়ে ওঠে। সীমান্তের ওপার থেকে আমারা যারা গরু সহ বিভিন্ন পণ্য আনায় এই ধরনের ব্যবসার সাথে জড়িত যারা আমাদের দেশেকে পরনির্ভরশীল করতে চান তাদের কাছে বিনীয়শীত অনুরোধ এ ধরনের অতৎপরতা বন্ধ করে আমাদের দেশীয় শিল্প কে বিকশিত করেন। আমাদের দেশে গরু খামারিরা অনেক কষ্ট করে গরু পালন করে আমাদের দেশ পশু সম্পদে সমৃদ্ধ।বাহির থেকে গরু আনার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে না বা নির্ভরশীল হতে হবে না। তিনি বলেন সর্ব সময় একটা অসাধু চক্র এই ধরনের কাজ করে। এই নির্দেশনা যারা অমান্য করবেন তাদের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর হাতে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
এদিকে গোয়াইনঘাট থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আহাদ বলেন, চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। শুধু চোরাকারবারী নয় কোন ধরণের অপরাধীর স্থান গোয়াইনঘাটে হবে না। অপরাধী যেই হোক তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। সকলের সহযোগিতায় গোয়াইনঘাটকে অপরাধমূক্ত করে ছাড়বো। তাই অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd