সিলেটে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ : ১৯ দিন পর ধর্ষক সুনামগঞ্জ থেকে গ্রেফতার

প্রকাশিত: ১:০২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৪, ২০২০

সিলেটে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ : ১৯ দিন পর ধর্ষক সুনামগঞ্জ থেকে গ্রেফতার

ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : সিলেট শহরতলীর সর্দারগাঁও এলাকায় ৫ম শ্রেণীর এক ছাত্রী (১২) ধর্ষণের ঘটনার ১৯ দিন পর ধর্ষক জসিম উদ্দিনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার (৪ অক্টোবর) ভোরে সুনামগঞ্জ জেলার আক্তাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে জালালাবাদ থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত জসিম উদ্দিন জালালাবাদ থানাধীন রায়েরগাঁও এলাকার পিতা নাসির উদ্দিনের ছেলে।

রবিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে জালাবাদ থানা পুলিশ তাকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে বলে জানায় পুলিশ। ধর্ষণের ঘটনায় জসিম উদ্দিন গ্রেফতার হলেও এ মামলায় এখনও পলাতক রয়েছে সর্দারগাঁও এলাকার তজম্মুল আলীর ছেলে এখলাছ আলী।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন করেন জালালাবাদ থানার ওসি অকিল উদ্দিন। তিনি বলেন, পুলিশ গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সুনামগঞ্জ থেকে ধর্ষক জসিম উদ্দিনকে গ্রেফতার করেছে।

এদিকে, স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে শনিবার (৩ অক্টোবর) সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদ জালালাবাদ থানা শাখা ও পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট সদর উপজেলা শাখার উদ্যোগে এক মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়।

এসময় বক্তারা বলেন, গত ৬ সেপ্টেম্বর রাতে ১২ বছরের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটলেও মামলার এজাহার নামীয় দুই আসামীসহ অপরাপর আসামীদের এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এতে করে জনমনে নানা প্রশ্নের উদ্বেগ হচ্ছে। নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আগামী ৭ দিনের মধ্যে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামীদের গ্রেফতার করা না হলে সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদ ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেটের নেতৃবৃন্দ ঘেরাও কর্মসূচী পালন করবো।

জানা যায়, ধর্ষণের শিকার ওই স্কুল ছাত্রীর পিতা গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে জালালাবাদ থানায় দুজনকে আসামী করে মামলা নং-৮ দায়ের করেন। স্কুল ছাত্রী রায়েরগাঁও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত।

স্কুল ছাত্রীর পিতা বলেন, গত রবিবার রাত ১০টার দিকে আমার মেয়ে বাতরুমে যায়। ওই সময়ে বিদ্যুৎ ছিলো। একটু পরেই আবার বিদ্যুৎ চলে যায়। এই ফাঁকে সর্দারগাঁও এর এখলাছ আমার মেয়েক মুখে চেপে ধরে ও রায়েরগাঁও’র জসিম আমার মেয়েকে তুলে নিয়ে যায় বাছাই নদীর চরে। ওইখানে তারা দুজন মিলে ধর্ষণ করে। এরপর তারা আমার মেয়েকে নৌকা করে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য রাতে নদীর পাড়ে যায়। সেখানে মেয়েটির মামা বিষয়টি দেখতে পেয়ে এগিয়ে আসেন। এসে দেখেন তাদের কাছে তার স্কুল পড়ুয়া ভাগ্নি। এরপর তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে স্কুল ছাত্রীকে ফেলে ঘটনার হোতার দ্রুত পালিয়ে যায়।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

October 2020
S S M T W T F
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  

সর্বশেষ খবর

………………………..