জৈন্তাপুর প্রতিনিধি :: জৈন্তা জামেয়া ইসলামীয়া মহিলা মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি আব্দুল আহাদের ১৩ বৎসরের বিভিন্ন অপকর্ম নিয়ে প্রতিদিনি আলোচনার শিরোনামে ভাসছে জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট সহ পুরো উপজেলা বিভিন্ন অপকর্মের জন্য প্রতিদিন-ই বিভিন্ন ব্যাক্তি অভিযোগ করে যাচ্ছেন উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ ও আইন শৃংঙ্খলা বাহিনীর কাছে।
সম্প্রতি মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য মো: হানিফ আহমদ উপজেলা নির্বাহীর বরাবরে একটি অভিযোগ দাখিল করলে নির্বাহী অফিসার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো: সোলাইমান হোসেন কে বিষয়টি তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।
এরই আলোকে গত ১৬ই সেপ্টেম্বর বুধবার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সাবেক সভাপতি আব্দুল আহাদ ও অভিযোগকারী মো: হানিফ আহমদ সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গদের নিয়ে মাদ্রাসার অফিস কক্ষে উভয় পক্ষের বক্তব্য রেকর্ড করেন এবং মাদ্রাসার অফিস কক্ষের চাবি সকলের সম্মতিক্রমে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বর্তমান জৈন্তা জামেয়া ইসলামিয়া মহিলা মাদ্রাসার আহবায়ক আখলাকুল আম্বিয়া চৌধুরীর নিকট হস্তান্তর করেন এবং মাদ্রাসার বিগত দিনের আয়-ব্যায়ের হিসাব ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাকালীন সময় হতে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সকর ধরণের কাগজপত্র তদন্তকারীর কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।
পরবর্তীতে এলাকাবাসী মাদ্রাসার একাডেমীক কার্যক্রম গতিশীল করতে এবং পাঠদানের অনুমতি ও সরকারের অন্তভূক্ত করার লক্ষে ২৬শে সেপ্টেম্বর মাদ্রাসায় একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক থেকে আলখাকুল আম্বিয়া চৌধুরীকে আহবায়ক ও মাদ্রাসার সুপার মো: আব্দুল গাফ্ফারকে সদস্য সচিব করে একটি কমিটি ঘোষণা করা হয়। মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি আব্দুর আহাদের বিরোদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ সূত্রে জানা যায়।
উনার সুবিধার্থে ২০০৭ সাল থেকে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬জন সুপার নিয়োগ দেন পরবর্তীতে মতের বিপরীত হলেই তাদেরকে মাদ্রাসা থেকে তাড়িয়ে দেন। সর্বশেষ এলাকাবাসীকে সাবেক সভাপতির বিভিন্ন অনিয়মের কথা বলে ফেলায় মাদ্রাসার সুপার আব্দুল গাফ্ফার কে ও অব্যাহতি দিতে মরিয়া হয়ে উঠেন। এবং ভূইফোড় দু’টি অনলাইন মিডিয়ায় সাবেক সভাপতি সদস্য সচিবের বিরোদ্ধে অপ্রাসঙ্গিক শব্দ ব্যবহার করে প্রচারণা চালাচ্ছে।