সিলেট ২৭শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৭ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৭:২৯ অপরাহ্ণ, জুলাই ৫, ২০২০
কানাইঘাট প্রতিনিধি :: ঝুকির মূখে নদীতীর। ভাঙ্গনের মুখে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ,বাড়িঘর ও স্থাপনা। সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার রাজাগঞ্জ দাওয়াদারী এলাকা। এই এলাকা দিয়ে প্রবাহিত সুরমা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন ও হাইড্রলিক ড্রেজার ব্যবহারে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ইজারা অযোগ্য এই এলাকা থেকে প্রতিবছর অবৈধ পন্থায় বালুমাটি আহরণ করছে জনৈক আব্দুর রবের নেতৃত্বে একটি খাদক চক্র। গত প্রায় দুই মাস ধরে ‘শাহাদত’-সহ বিভিন্ন নামের তিন থেকে চারটি হাইড্রলিক ড্রেজার মেশিন তীর ঘেষে উত্তোলন করছে বালুমাটি। রকমফের নৌকা দিয়ে লুটে নিচ্ছে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকার বালুসম্পদ। দৈনিক লাখ লাখ ঘনফুট বালু ও মাটি লুটে নিচ্ছে এই আব্দুর রব চক্র। ফলে নদীর উভয়তীরে শুরু হয়েছে ভয়াবহ ভাঙ্গণ। মারাত্মক ঝুঁকির মূখে পাউবো’র বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ, বাড়িঘর, ফসলী জমি এবং সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন স্থাপনা।
সিলেটের জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে সুরমা নদীর রাজাগঞ্জ দাওয়াধারী এলাকা ইজারা অযোগ্য এবং ইজারা মহাল তালিকার বাইরে। আর এই সুযোগে আব্দুর রবের মাটিখাদকরা লুটে নিচ্ছে ওই এলাকাস্থ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোটি কোটি টাকা মূল্যের বালুসম্পদ।
টু-পাইসের বিনিময়ে স্থানীয় ভূ-প্রশাসন ও পুলিশকে ম্যানেজ করেই দিন-দুপুরে প্রকাশে লুটপাট করে চলেছে এই রাষ্ট্রীয় সম্পদ। আর অবৈধ আয় ও টাকার বিনিময়ে আখের গোছিয়ে চলেছেন প্রজাতন্ত্রের দায়িত্ব ও কর্তব্যরত কর্তাব্যক্তিরা।
এ বিষয়ে পদক্ষেপের ব্যপারে কানাইঘাটের টিএনও বারীউল করিমের সাথে সেলফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি সাংবাদিকের ফোন রিসিভ না করে লাইন কেটে দেন।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd