গোয়াইনঘাটে দ্বী-মুখী প্রাকৃতিক দুর্যোগে সংকটে নিম্ন আয়ের মানুষ

প্রকাশিত: ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৫, ২০২০

গোয়াইনঘাটে দ্বী-মুখী প্রাকৃতিক দুর্যোগে সংকটে নিম্ন আয়ের মানুষ

Manual6 Ad Code

সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশা :: করোনাভাইরাসের প্রবল সংক্রামনকালে।কর্মসংস্হান আর আয় রোজগারের মন্দা প্রভাবে নিমজ্জিত গ্রামের মধ্যবিত্ত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও নিম্নআয়ের মানুষ। গত মার্চ মাস থেকে শুরু করে আজ অবধি চার মাস কেমন মানবেতর জীবনযাপন কাটাচ্ছেন নিন্ম আয়ের মানুষ।

Manual4 Ad Code

ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ অনুধাবন করার মত নয়। কর্মজীবনে বাড়তি কিছু করার নিমিত্তে স্বপ্নের সঞ্চিত টাকা সরকার জনপ্রতিনিধি ও এলাকার বিত্তশালীদের সহযোগিতায় এতদিন টানাটানি করে কোন রকম ভাবে চলছিল। এরইমধ্যে বন্যার অতর্কিত ভয়াল থাবা মরার উপর খরার ঘা।

Manual5 Ad Code

মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষকে মানসিক ও আর্থিকভাবে দুর্বল করে দিয়েছে। একদিন আয় করতে না পারলে নিম্ন আয়ের মানুষদের জীবন সংকটে নিপতিত হয়। উনুনে আগুন ধরানোর মত ব্যবস্থা তাদের থাকেনা। গত ৮ দিন ধরে এই নিম্ন আয়ের মানুষদের অবস্থা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। সরকারের হিসাবে অনেক মানুষ এসময়ে ত্রাণ পেলেও তা পর্যাপ্ত নয়। নিম্ন আয়ের পরিস্থিতিটা স্বচোক্ষে দেখা গেলেও ,দেখা যাচ্ছেনা গ্রাম নগরের নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন অনেকে। বেসরকারি এনজিও ডিসপেনসারি ব্যবসায়ি প্রতিষ্ঠান ও পাথর কোয়ারিতে খেটে খাওয়া মানুষ। কাজ হারিয়ে বেকারত্বের অভিশাপে নিমগ্ন। কেউ হারিয়েছেন চাকরি, কেউ রয়েছেন চাকরি হারানোর শঙ্কায়। যেসব প্রতিষ্ঠানে বা মুদির দোকানে ৫ থেকে ১০ জন লোক থাকতো, সেখানে মালিকরা লোকজন কমিয়ে এক থেকে দুইজন রেখেছেন। তাই বেড়েছে আরও বেকারত্বের হার। আয়-রোজগার না থাকায় ঘরে খাবার নেই।বাংলাদেশে ১৬ কোটি মানুষের চার কোটি পরিবার আছে৷

Manual4 Ad Code

এর মধ্যে নিম্নবিত্ত ২০ ভাগ আর উচ্চবিত্ত ২০ ভাগ৷ মাঝের যে ৬০ ভাগ এরা নিম্ন, মধ্য ও উচ্চ মধ্যবিত্ত৷ এদের মধ্যে বড় একটা অংশ চাকুরি ঝুঁকিতে আছেন৷ অনেকেরই বেতন হয়নি, অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে৷ ফলে তারা বেতন তো পাননি, উল্টো চাকুরি ঝুঁকিতে আছেন৷ এই মানুষগুলো সরকারি কোন কর্মসূচির মধ্যেও নেই৷ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই আলাপকালে বলেন তাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা।

সম্প্রতি ব্র্যাকের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ৩৬ শতাংশ মানুষ চাকরি হারিয়েছেন। তিন শতাংশের চাকরি থাকলেও বেতন পান না। দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে যারা কাজ করেন তাদের ৬২ শতাংশই কাজের সুযোগ হারিয়ছে। ফলে উভয় সংকটে দিন কাটছে এই মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের। তারা না পারছে নিজেদের সামাজিক অবস্থান ধরে রাখতে, না পারছে কারো কাছে হাত পাততে।সুবিদাজনক অবস্হানে আছেন সরকারী চাকুরীজিবীরা। অনেকে চায়ের হোটেলে রাস্তাঘাটে বসে বলাবলি ভাগাভাগি করেন তাদের মানবেতর জীবনের কথা। অপরিচিত কেউ চলে আসলে লজ্জায় আলাপ বন্ধ করে নেন। নিজেদের দুঃখ-দুর্দশা নিজেদেরই থাক স্বইচ্ছায় কেউ নেবে না তাদের ভাগ।বেশি অসহায় মধ্যোবিত্ত মানুষ।মানুষের কি?যে কষ্ট।কষ্টের ভিতরে থেকে মানুষ মোকাবেলা করছে দুর্গোমকাল।

Manual7 Ad Code

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..