সিলেট ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৩রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৯:৩৮ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৭, ২০২০
ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : অভিযোগের পাহাড় গড়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমদ। শাহী ঈদগাহ হুসনাবাদের রণি গাজীকে মামলা দিয়ে হয়রানি, ৫নং ওয়ার্ডে ত্রাণ এবং রেশন কার্ড বিতরণে স্বজনপ্রীতি, ত্রাণ বিতরণে দুর্নীতির কারণে প্রধানমন্ত্রী কাছে স্থানীয়দের লিখিত নালিশ, ত্রাণের দাবিতে তার বাসায় এবং অফিসে হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষের বিক্ষোভও হয়েছে। শেষমেশ প্রবাসী এবং স্থানীয়দের দানের টাকায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণেও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। ওয়ার্ডের জনগনদের এসব অভিযোগের কোনো সদোত্তর দিতে পারছেন না তিনি। রোববার রাতেও নগরীর ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই এলাকায় তার বিরুদ্ধে এসব আনিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্থানীয়রা বৈঠক করেছেন।
অপরদিকে ”ত্রাণ লাগবে না, রেশন কার্ড চাই” এমন স্লোগানে থালাবাসন হাতে নিয়ে নগরীর ৫নং ওয়ার্ডের খাসদবীর এলাকার দারুস সালাম মাদ্রাসা সামনে বিক্ষোভ করেছে এলাকার অসহায় ও হতদরিদ্র জনতা। পরে ঘটনাস্থলে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও পুলিশ গিয়ে উত্তেজিত জনতাদের ঘরে ফেরান।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে ৫নং ওয়ার্ডের খাসদবীর এলাকার দারুস সালাম মাদ্রাসা সামনে থালাবাসন নিয়ে হাতে নিয়ে বিক্ষোভ করেছে এলাকার প্রায় দেড়শ জন অসহায় ও হতদরিদ্র জনতা। এসময় তারা ”ত্রাণ লাগবে না, রেশন কার্ড চাই” এমন স্লোগান দিতে থাকে। খবর পেয়ে এসএমপি’র এয়ারর্পোট থানা পুলিশ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তাদের রেশণ কার্ড পাইয়ে দেয়ার আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা ঘরে ফিরেন।
স্থানীয় বাসিন্দা বুদন মিয়া জানান, করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া আমরা হতদরিদ্র ও অসহায় পরিবারের লোকেরা সরকারের দেয়া কোনো ধরণের ত্রাণ আমরা পাইনি। আমরা এই ওয়ার্ডের ভোটার। আমাদের ভোটার আইডির ফটোকপি নেয়া হয়েছে তবুও কোনো কিছুই এখনো পাইনি। আমাদের শুধুই ত্রাণ দেয়া হবে এমন আশ্বাস দেয়া হচ্ছে। সিসিক থেকেও যথেষ্ট পরিমাণ ত্রাণ দেওয়া হয়েছে আমাদের ওয়ার্ডে। ওই খাদ্য সামগ্রী কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমদ তার বাড়িতে প্রচুর পরিমাণ খাদ্য মজুদ করেছেন। তবুও তা বিতরণ করছেন না। গত বৃহস্পতিবার সকালে কাউন্সিলর রেজওয়ানের বাসা এবং অফিসের সামনে বিক্ষোভ করে ওয়ার্ডের অসহায় জনতা। তবুও টনক নড়েনি তার! লকডাউনের কারণে পবিত্র এই রমজান মাসে আমাদের এলাকার অনেকেই ঘর বন্ধি। অনেকেই না খেয়ে রোজা রাখছেন, এমনকি ইফতারও করছেন। বিষয়টি প্রশাসনকে অবগত করেও লাভ হয়নি। আমরা নিরুপায়। তাই এই থালাবাসন হাতে নিয়ে বিক্ষোভ করেছি। এমনিতেই আমরা না খেয়ে মরবো। আমাদের আর ত্রাণ লাগবে না, আমাদের রেশণ কার্ড চাই। যাতে আমাদের নামে ত্রাণ এনে অন্যকে যেনো না দেয়া হয়। বিষয়টি জানতে ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমদের মুঠোফোনে কল করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এবিষয়ে এসএমপি’র এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম শাহাদাত হোসেন বলেন, বিষয়টি শুনেছি। ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠিয়েছি। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd